"দর্শন হচ্ছে ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যবর্তী এক অনধিকৃত প্রদেশ।" – উক্তিটি কে করেছেন?
সঠিক উত্তর
ঘবার্ট্রান্ড রাসেল
ব্যাখ্যা
উক্তিটি বার্ট্রান্ড রাসেলের, তাঁর হিস্ট্রি অব ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি গ্রন্থের ভূমিকা থেকে, যা উনিশশো পঁয়তাল্লিশ সালে প্রকাশিত। মূল ইংরেজিতে তিনি বলেন, দর্শন ধর্মতত্ত্ব আর বিজ্ঞানের মাঝামাঝি কিছু; এই দুইয়ের মাঝে আছে এক নো ম্যানস ল্যান্ড, দুই দিক থেকেই আক্রমণের মুখে, আর সেই অনধিকৃত অঞ্চলই দর্শন।
রাসেলের ব্যাখ্যা: ধর্মতত্ত্বের মতো দর্শনও এমন প্রশ্ন নিয়ে ভাবে যার নিশ্চিত উত্তর জ্ঞান দিয়ে এখনো মেলেনি। আবার বিজ্ঞানের মতো দর্শন কর্তৃত্ব বা প্রথার উপর নয়, মানুষের যুক্তির উপর নির্ভর করে।
একটা বিষয় খেয়াল করুন: রাসেল লিখেছিলেন থিওলজি, যার সঠিক অনুবাদ ধর্মতত্ত্ব; বাংলায় প্রশ্নে সহজ করে ধর্ম লেখা হয়েছে।
সি ডি ব্রড দর্শনকে সমালোচনামূলক ও কল্পনামূলক, এই দুই ভাগে দেখার জন্য পরিচিত। আর বি পেরি মার্কিন নব্য-বাস্তববাদী দার্শনিক। প্লেটো প্রাচীন যুগের, তখন বিজ্ঞান আলাদা বিষয়ই ছিল না।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- এক পাশে ধর্মতত্ত্ব: নিশ্চিত জ্ঞানের বাইরের প্রশ্ন, কর্তৃত্বে বিশ্বাস।
- অন্য পাশে বিজ্ঞান: যুক্তি ও প্রমাণ।
- মাঝখানে অনধিকৃত অঞ্চল দর্শন: প্রশ্ন ধর্মতত্ত্বের মতো, পদ্ধতি বিজ্ঞানের মতো। রাসেল, ১৯৪৫।
ক. আর. বি. পেরি: আর বি পেরি মার্কিন নব্য-বাস্তববাদী দার্শনিক; উক্তিটি তাঁর নয়।
খ. প্লেটো: প্লেটোর যুগে বিজ্ঞান আলাদা শাখা ছিল না; উক্তিটি আধুনিক যুগের।
গ. সি. ডি. ব্রড: সি ডি ব্রড দর্শনকে সমালোচনামূলক ও কল্পনামূলক ভাগে দেখেন; এই উক্তি তাঁর নয়।
ধর্ম আর বিজ্ঞানের মাঝে দর্শন, নো ম্যানস ল্যান্ড: রাসেল।
রাসেলের দর্শন: দুই দেশের মাঝের কারও-না জমি।