নিচের কোনটি 'SMART Bangladesh' এর উপাদান?
সঠিক উত্তর
গSmart Society
ব্যাখ্যা
পরীক্ষার সময় সরকারের ঘোষিত লক্ষ্য ছিল দুই হাজার একচল্লিশ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া, যা দুই হাজার বাইশ সালের ডিসেম্বরে ঘোষণা করা হয়। এর চারটি স্তম্ভ ছিল: স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট গভর্নমেন্ট, স্মার্ট ইকোনমি এবং স্মার্ট সোসাইটি।
বিকল্পগুলোর মধ্যে শুধু স্মার্ট সোসাইটি এই চার স্তম্ভের একটি। স্মার্ট সোসাইটি বলতে বোঝানো হয়েছিল অন্তর্ভুক্তিমূলক, প্রযুক্তি-সক্ষম ও সমতাভিত্তিক সমাজ।
স্মার্ট ডেমোক্রেসি, স্মার্ট পলিটিক্স বা স্মার্ট পার্লামেন্ট শুনতে মানানসই, কিন্তু ঘোষিত চার স্তম্ভে এগুলো ছিল না। এ ধরনের প্রশ্নে তালিকাটি হুবহু মনে রাখাই কৌশল।
স্মার্ট বাংলাদেশ ছিল 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' কর্মসূচির পরের ধাপ; ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষিত হয়েছিল দুই হাজার আট সালে।
এটি পরীক্ষার সময়ের তথ্য — এখন বদলে থাকতে পারে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য ২০৪১, ঘোষণা ২০২২।
- চার স্তম্ভ: স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট গভর্নমেন্ট।
- বাকি দুই: স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট সোসাইটি; বিকল্পে আছে শুধু সোসাইটি।
ক. Smart Democracy: Smart Democracy চার স্তম্ভের তালিকায় ছিল না।
খ. Smart Politics: Smart Politics চার স্তম্ভের তালিকায় ছিল না।
ঘ. Smart Parliament: Smart Parliament চার স্তম্ভের তালিকায় ছিল না।
স্মার্ট বাংলাদেশের চার স্তম্ভ: সিটিজেন, গভর্নমেন্ট, ইকোনমি, সোসাইটি।
নাগরিক, সরকার, অর্থনীতি, সমাজ: চার স্মার্ট।