'সুশাসন চারটি স্তম্ভের উপর নির্ভরশীল' -এই অভিমত কোন সংস্থা প্রকাশ করে?
সঠিক উত্তর
গবিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
একচল্লিশতম বিসিএসের এই প্রশ্ন আবার এসেছে। উত্তর বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংক উনিশশো বিরানব্বই সালের গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রতিবেদনে সুশাসনের চারটি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে, যেগুলো স্তম্ভ নামে পরিচিত।
চার স্তম্ভ: সরকারি খাত ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহি, উন্নয়নের জন্য আইনি কাঠামো, আর তথ্য ও স্বচ্ছতা। ছাদ সুশাসন, আর এই চারটি খুঁটি না থাকলে ছাদ দাঁড়ায় না।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক উনিশশো পঁচানব্বই সালে চারটি মৌলিক উপাদান বলে: জবাবদিহি, অংশগ্রহণ, পূর্বানুমেয়তা ও স্বচ্ছতা; এডিবির পরের দলিলে এগুলোকে স্তম্ভই বলা হয়েছে। তাই এই বিকল্পটিও যুক্তিসংগত, তবে প্রকাশিত সব সমাধানে উত্তর বিশ্বব্যাংক।
চার আর ছয় আলাদা রাখুন: স্তম্ভ চারটি, উনিশশো বিরানব্বই; সুশাসন সূচকের উপাদান ছয়টি, উনিশশো ছিয়ানব্বই থেকে।
এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ছাদ: সুশাসন। নিচে চারটি স্তম্ভ, বিশ্বব্যাংক ১৯৯২।
- স্তম্ভ ১ ও ২: সরকারি খাত ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহি।
- স্তম্ভ ৩ ও ৪: আইনি কাঠামো, তথ্য ও স্বচ্ছতা।
ক. জাতিসংঘ: জাতিসংঘ চার স্তম্ভের এই অভিমতের উৎস নয়।
খ. জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি: ইউএনডিপি ১৯৯৭ সালে সুশাসনের নয়টি বৈশিষ্ট্য দেয়।
ঘ. এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক: এডিবিও ১৯৯৫ সালে চারটি উপাদান দেয় এবং পরে সেগুলোকে স্তম্ভ বলে, তাই বিকল্পটি যুক্তিসংগত; তবে প্রকাশিত সব সমাধানে উত্তর বিশ্বব্যাংক।
চার স্তম্ভ = বিশ্বব্যাংক ১৯৯২; একই প্রশ্ন ৪১তম ও ৪৬তম বিসিএসে।
ব্যাংকের চার খুঁটি: দক্ষতা, জবাবদিহি, আইন, স্বচ্ছতা।