বাংলাদেশ কখন নারীর বিরুদ্ধে সকল প্রকার বৈষম্য (CEDAW) দূরীকরণ সনদে সম্মতি জানায়?
সঠিক উত্তর
খ৬ নভেম্বর ১৯৮৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালের ৬ নভেম্বর নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ সনদ, সংক্ষেপে সিডও, পক্ষভুক্ত হয়। বাংলাদেশ আগে সই না করে সরাসরি যোগদানের মাধ্যমে, অর্থাৎ অ্যাকসেশন পদ্ধতিতে, এই সনদের পক্ষ হয়।
সনদটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ১৯৭৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর গৃহীত হয় এবং ১৯৮১ সালে কার্যকর হয়। নারীর অধিকার নিয়ে সবচেয়ে বিস্তৃত আন্তর্জাতিক দলিল বলে একে নারীর অধিকারের আন্তর্জাতিক বিল বলা হয়।
বাংলাদেশ যোগদানের সময় কয়েকটি ধারায় আপত্তি বা সংরক্ষণ রাখে, যার মধ্যে দুই নম্বর ধারা আছে; এ নিয়ে নারী অধিকারকর্মীরা দীর্ঘদিন সংরক্ষণ তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন।
ফাঁদ হলো ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৪। ওই দিন জাতিসংঘ নির্যাতনবিরোধী সনদ গৃহীত হয়, আর ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবস; তাই তারিখটি চেনা মনে হয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- ১৮ ডিসেম্বর ১৯৭৯সিডও গৃহীত
- ১৯৮১সনদ কার্যকর
- ৬ নভেম্বর ১৯৮৪বাংলাদেশের যোগদান
- ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৪নির্যাতনবিরোধী সনদ গৃহীত
- ১৮ ডিসেম্বর ১৯৭৯, জাতিসংঘে সিডও গৃহীত।
- ১৯৮১ সালে সনদটি কার্যকর হয়।
- ৬ নভেম্বর ১৯৮৪, বাংলাদেশ সনদে যোগ দেয়।
- ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৪ নির্যাতনবিরোধী সনদ গৃহীত, এটি ফাঁদ।
ক. ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৪: ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৪ জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী সনদ গৃহীত হয়, বাংলাদেশের সিডও যোগদান নয়।
গ. ৫ আগস্ট ১৯৮৫: ৫ আগস্ট ১৯৮৫ বাংলাদেশের সিডও যোগদানের তারিখ নয়; প্রায় নয় মাস আগেই বাংলাদেশ পক্ষভুক্ত হয়েছিল।
ঘ. ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭: ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭ সিডও যোগদানের তারিখ নয়; বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালেই পক্ষভুক্ত হয়।
সিডও: গৃহীত ১৯৭৯, বাংলাদেশের অনুমোদন ৬ নভেম্বর ১৯৮৪।
চুরাশির নভেম্বরে নারীর সনদে বাংলাদেশের যোগদান।