আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি৪৭তম বিসিএস (২০২৫)

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু নদের পানিবণ্টন চুক্তি কবে সম্পাদিত হয়?

সঠিক উত্তর

ক১৯৬০

ব্যাখ্যা

সিন্ধু পানি চুক্তি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৬০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর করাচিতে সই হয়। বিশ্বব্যাংক দীর্ঘ আলোচনায় মধ্যস্থতা করে এবং নিজেও চুক্তিতে সই করে।

ভারতের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু আর পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান সই করেন। চুক্তিতে সিন্ধু অববাহিকার ছয় নদী ভাগ হয়: পূর্বের তিন নদী ইরাবতী বা রাভি, বিপাশা বা বিয়াস, আর শতদ্রু বা সাতলুজ পায় ভারত; পশ্চিমের তিন নদী সিন্ধু, ঝিলম ও চেনাব পায় পাকিস্তান।

পশ্চিমের নদীতেও ভারত সীমিত সেচ এবং জলবিদ্যুতের মতো পানি না কমানো ব্যবহার করতে পারে। ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের যুদ্ধের মধ্যেও চুক্তিটি বহাল ছিল, তাই একে টেকসই পানিচুক্তির উদাহরণ বলা হতো।

ফাঁদ হলো ১৯৬৬, যে বছর দুই দেশের মধ্যে তাসখন্দ চুক্তি হয়; সেটি যুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিচুক্তি, পানিচুক্তি নয়।

এটি পরীক্ষার সময়ের তথ্য — এখন বদলে থাকতে পারে।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
নদীপেয়েছে
রাভি, বিয়াস, সাতলুজভারত
সিন্ধু, ঝিলম, চেনাবপাকিস্তান
স্বাক্ষর১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৬০, করাচি
  1. সিন্ধু অববাহিকায় ছয় নদী, ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ।
  2. বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৬০, করাচিতে চুক্তি।
  3. পূর্বের তিন নদী ভারতের, পশ্চিমের তিন নদী পাকিস্তানের।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

খ. ১৯৬৬: ১৯৬৬ সালে ভারত-পাকিস্তান তাসখন্দ চুক্তি হয়, যা যুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিচুক্তি।

গ. ১৯৭৪: ১৯৭৪ সালে সিন্ধু নিয়ে কোনো চুক্তি হয়নি; পানি চুক্তি তার চৌদ্দ বছর আগের।

ঘ. ১৯৭৫: ১৯৭৫ সালে ভারত ফারাক্কা বাঁধ চালু করে, যা গঙ্গার পানি নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত বিরোধের বিষয়; সিন্ধু চুক্তি নয়।

শর্টকাট

সিন্ধু পানি চুক্তি ১৯৬০; তাসখন্দ চুক্তি ১৯৬৬; সিমলা চুক্তি ১৯৭২।

মনে রাখুন

ষাটে ছয় নদী ভাগ: পুবের তিন ভারতের, পশ্চিমের তিন পাকিস্তানের।