১৯৩৬ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বানান সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য ছিল-
সঠিক উত্তর
গবানানের নিয়ম প্রণয়ন করা
ব্যাখ্যা
১৯৩৫ সালে রবীন্দ্রনাথের অনুরোধে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় একটি বানান সংস্কার সমিতি গঠন করে, আর ১৯৩৬ সালে প্রকাশ করে বাংলা বানানের নিয়ম। তখন একই শব্দ নানা জনে নানা বানানে লিখতেন।
এই বিশৃঙ্খলা দূর করে বানানে সমতা আনার জন্য একটি লিখিত নিয়মমালা তৈরি করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের বানানে নিয়ম ঠিক করা হয়; তৎসম শব্দের বানান মূলত আগের মতোই রাখা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে বাংলা একাডেমি ১৯৯২ সালে প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন করে।
ফাঁদ উচ্চারণের কাছাকাছি নেওয়ার বিকল্পটি। কিছু নিয়মে বানান সরল হলেও কমিটির মূল কাজ ছিল নিয়ম বেঁধে দেওয়া, উচ্চারণ অনুযায়ী বানান করা নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ১৯৩০-এর দশকবানানে বিশৃঙ্খলা
- ১৯৩৫রবীন্দ্রনাথের অনুরোধে সমিতি গঠন
- ১৯৩৬কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বানানের নিয়ম
- ১৯৯২বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানের নিয়ম
- ১৯৩০-এর দশকে বাংলা বানানে চরম বিশৃঙ্খলা।
- রবীন্দ্রনাথের অনুরোধে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি গঠন করে।
- ১৯৩৬ সালে বাংলা বানানের নিয়ম প্রণীত হয়: মূল উদ্দেশ্য নিয়ম প্রণয়ন।
ক. বানানকে উচ্চারণের কাছাকাছি নেওয়া: কিছু বানান সরল হলেও মূল লক্ষ্য উচ্চারণানুগ বানান ছিল না; তৎসম শব্দের বানান তো আগের মতোই রাখা হয়।
খ. বানানের ঐতিহ্যকে বজায় রাখা: তৎসম বানান মূলত অপরিবর্তিত থাকলেও অ-তৎসম শব্দে পরিবর্তন আনা হয়েছিল; ঐতিহ্য রক্ষা মূল উদ্দেশ্য নয়।
ঘ. বানানে বিকল্প বর্জন করা: সব বিকল্প বর্জন লক্ষ্য ছিল না; মূল কাজ ছিল বিশৃঙ্খলা কমাতে নিয়ম প্রণয়ন।
১৯৩৬ মানে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বানানের নিয়ম; উদ্দেশ্য নিয়ম বেঁধে সমতা আনা।
বিশৃঙ্খল বানানে নিয়মের বাঁধ, ১৯৩৬।