পূর্ববঙ্গীয় উচ্চারণে 'স্মরণ' শব্দের ক্ষেত্রে কোনটি ঘটে?
সঠিক উত্তর
কস-এর উচ্চারণ শ হয়ে যায়
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি স্মরণ শব্দের আঞ্চলিক উচ্চারণ নিয়ে। শব্দের শুরুতে ম-ফলাযুক্ত স্ম থাকলে ম আলাদা করে উচ্চারিত হয় না, আর স এখানে দন্ত্য স নয়, শ-এর মতো শোনায়। ফলে শব্দটি শোনায় শরোন।
প্রদত্ত উত্তর অনুযায়ী পূর্ববঙ্গীয় উচ্চারণে স্মরণ শব্দে স-এর উচ্চারণ শ হয়ে যায়, অর্থাৎ শরোন। তুলনা করুন, স্মৃতি শব্দে স-এর পরে র-ধ্বনি থাকায় স দন্ত্যই থাকে।
সাবধান: মান উচ্চারণে শুরুর স্ম-তে সামান্য নাসিক্যভাব থাকে, শঁরোন; পূর্ববঙ্গের মুখে সেই নাসিক্যভাবও প্রায় থাকে না। এ কারণে কোনো কোনো গাইড নাসিক্য উচ্চারণ হয় না বিকল্পটিকে উত্তর ধরে; প্রশ্নটি নিয়ে মতভেদ আছে।
ণ সব বাংলা উচ্চারণেই ন-এর মতো শোনায়, তাই এটি পূর্ববঙ্গের বিশেষ বৈশিষ্ট্য নয়। আর ম-ফলা শব্দের শুরুতে পূর্ণ ম হিসেবে উচ্চারিত হয় না।
এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩শুরুর ম-ফলা উচ্চারিত হয় না: স্মৃতি, শ্মশান, স্মরণ
- স্মরণ শব্দের শুরুতে ম-ফলাযুক্ত স্ম।
- ম আলাদা উচ্চারিত হয় না, স শোনায় শ-এর মতো।
- পূর্ববঙ্গীয় উচ্চারণে শব্দটি শোনায় শরোন।
খ. ণ-এর উচ্চারণ ন হয়ে যায়: ণ বাংলার সব অঞ্চলেই ন-এর মতো উচ্চারিত হয়; এটি পূর্ববঙ্গের বিশেষ বৈশিষ্ট্য নয়।
গ. ম-ফলার উচ্চারণ ম হয়ে যায়: শব্দের শুরুতে ম-ফলা পূর্ণ ম হিসেবে উচ্চারিত হয় না; এই বিকল্প উল্টো কথা বলছে।
ঘ. শুরুতে নাসিক্য উচ্চারণ হয় না: পূর্ববঙ্গে নাসিক্যভাব প্রায় লোপ পায় বলে কোনো কোনো গাইড এটিকে উত্তর ধরে; তবে প্রদত্ত উত্তরে স-এর শ উচ্চারণকেই মূল ঘটনা ধরা হয়েছে।
শব্দের শুরুতে ম-ফলা নীরব থাকে; স্মরণ শব্দে স্ম শোনায় শ-এর মতো: শরোন।
স্মরণ বলতে ম ঘুমায়, স হয় শ।