'সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'- কোন কবিতার অংশ?
সঠিক উত্তর
ঘসুখ
ব্যাখ্যা
সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে, এই চরণ কামিনী রায়ের সুখ কবিতার। কবিতায় তিনি বলেছেন, নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে কেউ পৃথিবীতে আসেনি, অন্যের জন্য বাঁচাতেই প্রকৃত সুখ।
কামিনী রায় ব্রিটিশ ভারতের প্রথম নারী অনার্স স্নাতক, ১৮৮৬ সালে বেথুন কলেজ থেকে। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ আলো ও ছায়া।
তাঁর আরেকটি বিখ্যাত কবিতা পাছে লোকে কিছু বলে, যেখানে লোকলজ্জার ভয়ে কাজ করতে না পারার কথা আছে। আর বড় কে কবিতাটি হরিশ্চন্দ্র মিত্রের, যার বিখ্যাত চরণ আপনারে বড় বলে বড় সেই নয়।
ফাঁদ পরার্থে, কারণ পরের তরে কথাটির অর্থই পরার্থে। কিন্তু চরণটি যে কবিতায় আছে তার নাম সুখ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| কবিতা | পরিচয় |
|---|---|
| পাছে লোকে কিছু বলে | কামিনী রায়; লোকলজ্জার ভয় |
| বড় কে | হরিশ্চন্দ্র মিত্র; আপনারে বড় বলে বড় সেই নয় |
| সুখ | কামিনী রায়; সকলের তরে সকলে আমরা |
- চরণটি পরের জন্য বাঁচার কথা বলছে।
- এর কবি কামিনী রায়।
- কবিতার নাম সুখ, পরার্থে নয়।
ক. পরার্থে: পরার্থে নামের অর্থ চরণের ভাবের সঙ্গে মেলে বলেই ফাঁদ; চরণটি সুখ কবিতার।
খ. পাছে লোকে কিছু বলে: পাছে লোকে কিছু বলে কামিনী রায়েরই কবিতা, তবে এর বিষয় লোকলজ্জার ভয়; এই চরণ সেখানে নেই।
গ. বড় কে: বড় কে কবিতার মূল চরণ আপনারে বড় বলে বড় সেই নয়; এই চরণ সেখানে নেই।
পরের তরে চরণ দেখে পরার্থে বেছে নেবেন না; কবিতার নাম সুখ।
পরের জন্য বাঁচাতেই সুখ।