বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা হলো-
সঠিক উত্তর
ক০৬-০৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে মূল্যস্ফীতির সহনীয় মাত্রা কত। প্রত্যাশিত উত্তর ছয় থেকে আট শতাংশ।
সহনীয় মাত্রা মানে মূল্যস্ফীতির সেই সীমা, যার নিচে থাকলে দাম বাড়া প্রবৃদ্ধির বড় ক্ষতি করে না। সীমা পেরোলে মানুষের প্রকৃত আয় কমে, সঞ্চয় ও বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা বাড়ে, আর প্রবৃদ্ধি কমে যায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষক সায়েরা ইউনুস ও আখতারুজ্জামানের ২০১২ সালের এক গবেষণায় বাংলাদেশের জন্য এই সীমা পাওয়া গেছে সাত থেকে আট শতাংশের মধ্যে, যা প্রশ্নের ছয় থেকে আট শতাংশের সাথে মেলে।
এক থেকে পাঁচ শতাংশ উন্নত দেশের লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি; যেমন অনেক উন্নত দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দুই শতাংশ লক্ষ্য ধরে। নয় শতাংশ বা তার বেশি হলে তা উচ্চ মূল্যস্ফীতি, যা দরিদ্র মানুষের ক্রয়ক্ষমতা দ্রুত কমিয়ে দেয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| মূল্যস্ফীতি | অবস্থা |
|---|---|
| ১ থেকে ৫ শতাংশ | উন্নত দেশের লক্ষ্যের কাছাকাছি |
| ৯ থেকে ১২ শতাংশ | উচ্চ মূল্যস্ফীতি |
| ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ | তীব্র মূল্যস্ফীতি |
| ৬ থেকে ৮ শতাংশ | উন্নয়নশীল দেশের সহনীয় সীমা, বাংলাদেশে ৭ থেকে ৮ |
- এক থেকে পাঁচ শতাংশ: উন্নত দেশের লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি।
- নয় শতাংশ বা বেশি: উচ্চ মূল্যস্ফীতি, প্রবৃদ্ধি ও ক্রয়ক্ষমতার ক্ষতি।
- ছয় থেকে আট শতাংশ: উন্নয়নশীল দেশের সহনীয় সীমা; বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণায় সাত থেকে আট শতাংশ।
খ. ০১-০৫ শতাংশ: এই মাত্রা উন্নত দেশের মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যের কাছাকাছি; উন্নয়নশীল দেশের জন্য সহনীয় সীমা এর চেয়ে উঁচু।
গ. ০৯-১২ শতাংশ: বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণায় পাওয়া সীমা সাত থেকে আট শতাংশ, যা এর নিচে; এই মাত্রায় মূল্যস্ফীতি উচ্চ বলে ধরা হয়।
ঘ. ১৩-১৫ শতাংশ: এমন মূল্যস্ফীতি তীব্র এবং প্রবৃদ্ধি ও দরিদ্রের ক্রয়ক্ষমতার জন্য ক্ষতিকর; সহনীয় নয়।
উন্নত দেশ দুই শতাংশের আশপাশে, উন্নয়নশীল দেশ ছয় থেকে আটের মধ্যে; বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণায় সীমা সাত থেকে আট শতাংশ।
সাতের আশপাশে সহ্য, তার বেশি হলে কষ্ট।