বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি করা অর্থ পাচার করা হয়-
সঠিক উত্তর
ঘশ্রীলংকা ও ফিলিপাইনে
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা ২০১৬ সালের বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির অর্থ কোথায় পাঠানো হয়েছিল, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইন।
২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারির শুরুতে হ্যাকাররা সুইফট বার্তাব্যবস্থায় ভুয়া নির্দেশ পাঠিয়ে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে মোট প্রায় ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার সরিয়ে নেয়।
এর মধ্যে প্রায় ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার যায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের কয়েকটি হিসাবে, যার বড় অংশ সেখানকার ক্যাসিনো হয়ে হারিয়ে যায়। বাকি প্রায় ২ কোটি ডলার যায় শ্রীলঙ্কার একটি সংস্থার নামে, কিন্তু নামের বানানে ভুল দেখে সন্দেহ হওয়ায় সেই অর্থ আটকে ফেরত আসে।
ফাঁদ হলো যুক্তরাষ্ট্র। টাকা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ থেকে সরানো হয়েছে, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র উৎস, গন্তব্য নয়; প্রশ্ন জানতে চেয়েছে টাকা কোথায় পাচার হয়েছে।
- ফিলিপাইনে ≈ ৮.১ কোটি ডলার
- শ্রীলঙ্কায় ≈ ২.০ কোটি ডলার
- মোট ≈ ৮.১ + ২.০ = ১০.১ কোটি ডলার
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- নিউইয়র্ক ফেডে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে প্রায় ১০.১ কোটি ডলার সরানো হয়।
- প্রায় ৮.১ কোটি ডলার যায় ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকে।
- প্রায় ২ কোটি ডলার যায় শ্রীলঙ্কায়, পরে আটকে ফেরত আসে।
ক. যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ায়: যুক্তরাষ্ট্র ছিল অর্থের উৎস, আর ইন্দোনেশিয়ায় এই চুরির অর্থ পাঠানো হয়নি।
খ. যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে: ভারতের সাথে এই অর্থ স্থানান্তরের সম্পর্ক নেই; যুক্তরাষ্ট্রও গন্তব্য নয়, উৎস।
গ. যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইনে: ফিলিপাইন ঠিক, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র গন্তব্য নয়; সেখানকার ফেডারেল রিজার্ভ থেকেই টাকা সরানো হয়।
উৎস যুক্তরাষ্ট্র, গন্তব্য ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কা: যে বিকল্পে যুক্তরাষ্ট্র আছে সেটি বাদ।
নিউইয়র্ক থেকে টাকা উড়ে গেল ফিলিপাইন আর শ্রীলঙ্কায়।