বাংলাদেশ কোন্ দুটি দেশ হতে সিংহভাগ সয়াবিন তেল আমদানী করে?
সঠিক উত্তর
ঘআর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা বাংলাদেশের ভোজ্যতেল আমদানির উৎস জানতে চেয়েছে, বিশেষ করে সয়াবিন তেলের। বাংলাদেশ চাহিদার বেশির ভাগ ভোজ্যতেল আমদানি করে, আর অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের বড় অংশ আসে দক্ষিণ আমেরিকার দুই দেশ আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল থেকে।
কারণটা সহজ: আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল বিশ্বের শীর্ষ সয়াবিন উৎপাদক ও সয়াবিন তেল রপ্তানিকারক। চট্টগ্রাম বন্দরে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল নিয়ে যে জাহাজগুলো আসে, সেগুলোর বেশির ভাগ এই দুই দেশ থেকেই রওনা দেয়; পরে দেশের শোধনাগারে তা পরিশোধন করা হয়।
এই প্রশ্নে আসল ফাঁদ হলো পাম তেল আর সয়াবিন তেলকে গুলিয়ে ফেলা। পাম তেল আসে মূলত মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে, কারণ এই দুই দেশ বিশ্বের প্রধান পাম তেল উৎপাদক। তাই ভোজ্যতেল শুনেই মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া বেছে নিলে ভুল হবে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| ভোজ্যতেল | প্রধান উৎস দেশ |
|---|---|
| পাম তেল | মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া |
| অপরিশোধিত সয়াবিন তেল | আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল |
- প্রশ্নের মূল শব্দ সয়াবিন তেল, পাম তেল নয়।
- পাম তেলের প্রধান উৎস মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া, এটিকে আলাদা করে রাখি।
- সয়াবিন তেলের প্রধান উৎস দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল।
ক. মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া: মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের প্রধান পাম তেল উৎপাদক; বাংলাদেশ এদের কাছ থেকে পাম তেল আনে, সয়াবিন তেল নয়।
খ. ভারত ও চীন: ভারত নিজেই বিশ্বের অন্যতম বড় ভোজ্যতেল আমদানিকারক, আর চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় সয়াবিন আমদানিকারক; এরা বাংলাদেশের সয়াবিন তেলের প্রধান জোগানদার নয়।
গ. জার্মানি ও ভিয়েতনাম: জার্মানি বা ভিয়েতনাম কোনোটিই বড় সয়াবিন উৎপাদক বা সয়াবিন তেল রপ্তানিকারক নয়।
সয়াবিন মানে দক্ষিণ আমেরিকা, পাম মানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।
সয়াবিন আসে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল, পাম আসে মালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়া।