আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বিষয়াবলি৫০তম বিসিএস (২০২৬)

কোন বিষয়টি মুদ্রাপাচারের অন্তর্ভুক্ত নয়?

সঠিক উত্তর

গআয়কর ফাঁকি দেয়া

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটা মুদ্রাপাচার বা মানি লন্ডারিংয়ের কৌশল আর এর সঙ্গে যুক্ত অপরাধ আলাদা করতে চেয়েছে। মুদ্রাপাচার মানে অবৈধ বা অপ্রদর্শিত অর্থ দেশের বাইরে পাঠানো বা তার উৎস লুকিয়ে বৈধ চেহারা দেওয়া।

বাণিজ্যের আড়ালে পাচারের দুটি পরিচিত কৌশল আছে। রপ্তানিতে পণ্যের দাম কম দেখালে বাকি টাকা বিদেশেই থেকে যায়, একে আন্ডার ইনভয়েসিং বলে। আমদানিতে দাম বেশি দেখালে বাড়তি টাকা বিদেশে চলে যায়, একে ওভার ইনভয়েসিং বলে। আর হুন্ডির মতো অবৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানো সরাসরি পাচার।

আয়কর ফাঁকি দেওয়া নিজে একটি আলাদা অপরাধ, অর্থ পাচারের কৌশল নয়। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী কর সংক্রান্ত অপরাধ একটি সম্পৃক্ত অপরাধ; অর্থাৎ কর ফাঁকির টাকা পরে পাচার হতে পারে, কিন্তু ফাঁকি দেওয়া কাজটি নিজে পাচার নয়।

দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলাই এই প্রশ্নের ফাঁদ: যে অপরাধ থেকে টাকা আসে, আর সেই টাকা সরানোর কৌশল আলাদা জিনিস।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৪/৪
কাজধরন
রপ্তানি পণ্যের দাম কম দেখানোবাণিজ্যভিত্তিক পাচার
আমদানি পণ্যের দাম বেশি দেখানোবাণিজ্যভিত্তিক পাচার
অবৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোসরাসরি পাচার
আয়কর ফাঁকিআলাদা অপরাধ, পাচারের উৎস হতে পারে
  1. মুদ্রাপাচার মানে টাকা দেশের বাইরে সরানো বা উৎস লুকানো।
  2. রপ্তানিতে কম দাম ও আমদানিতে বেশি দাম দেখানো বাণিজ্যভিত্তিক পাচার।
  3. হুন্ডির মতো অবৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানো সরাসরি পাচার।
  4. আয়কর ফাঁকি আলাদা অপরাধ, পাচারের কৌশল নয়।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. রপ্তানী পণ্যের অবমূল্যায়ন: রপ্তানিতে কম দাম দেখালে বাকি অর্থ বিদেশে থেকে যায়; এটি বাণিজ্যভিত্তিক পাচারের পরিচিত কৌশল।

খ. আমদানী পণ্যের অধিক মূল্য নির্ধারণ: আমদানিতে বেশি দাম দেখিয়ে বাড়তি অর্থ বিদেশে পাঠানো হয়; এটিও পাচারের প্রধান কৌশলগুলোর একটি।

ঘ. অবৈধ চ্যানেলে বিদেশে টাকা পাঠানো: হুন্ডির মতো অবৈধ চ্যানেলে টাকা বিদেশে পাঠানো সরাসরি মুদ্রাপাচার।

শর্টকাট

ফাঁকি বা দুর্নীতি হলো টাকার উৎস; টাকা সরানো বা উৎস লুকানোর কৌশলই পাচার।

মনে রাখুন

ফাঁকি এক অপরাধ, পাচার আরেক অপরাধ।