'বিষণ্ণ' শব্দটির সঠিক বিশেষ্য রূপ কোনটি?
সঠিক উত্তর
কবিষাদ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি বিষণ্ণ শব্দের বিশেষ্য রূপ চেয়েছে। বিষণ্ণ বিশেষণ, মানে দুঃখিত বা মনমরা। এর বিশেষ্য রূপ বিষাদ, মানে দুঃখ বা মনের ভার।
দুটি শব্দই একই সংস্কৃত মূল থেকে এসেছে: বি উপসর্গের সঙ্গে সদ্ ধাতু। ঘঞ্ প্রত্যয়ে হয়েছে বিশেষ্য বিষাদ, আর ক্ত প্রত্যয়ে বিশেষণ বিষণ্ণ। বিষণ্ণতাও বিশেষ্য, তবে বিকল্পে আছে বিষাদ। বাংলা একাডেমির বানানে শব্দটি বিষণ্ন, অর্থাৎ ণ এর সঙ্গে ন, লেখা হয়।
একই ধাঁচের আরও জোড়া মনে রাখুন: প্রসন্ন বিশেষণ, প্রসাদ বিশেষ্য; অবসন্ন বিশেষণ, অবসাদ বিশেষ্য। তিনটি জোড়াতেই সদ্ ধাতু।
ফাঁদ হলো বিষাক্ত, কারণ শব্দের শুরুতে বিষ অংশ দেখে মিল মনে হয়। কিন্তু বিষাক্ত এসেছে বিষ থেকে, মানে বিষযুক্ত, আর এটিও বিশেষণ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩সদ্ ধাতুর বিশেষণ শেষে সন্ন বা ষণ্ণ, বিশেষ্য শেষে সাদ বা ষাদ
- বিষণ্ণ বিশেষণ: মনমরা।
- মূল: বি উপসর্গ আর সদ্ ধাতু; একই মূল থেকে বিশেষ্য বিষাদ।
- একই ধাঁচ: প্রসন্ন থেকে প্রসাদ, অবসন্ন থেকে অবসাদ।
খ. বিষণ্ণ: এটি প্রশ্নের শব্দটিই, যা বিশেষণ; বিশেষ্য রূপ নয়।
গ. বিষাক্ত: বিষাক্ত এসেছে বিষ থেকে, মানে বিষযুক্ত, আর এটিও বিশেষণ; শুরুর বিষ অংশ দেখে বিভ্রান্তি।
ঘ. বিষয়: বিষয় মানে আলোচ্য বস্তু; বিষণ্ণের সঙ্গে এর অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই।
সন্ন থেকে সাদ: প্রসন্ন প্রসাদ, অবসন্ন অবসাদ, বিষণ্ণ বিষাদ।
বিষণ্ণ মনে বিষাদ জমে।