বিশ্ব অর্থনীতিতে 'পেপার গোল্ড' (Paper Gold) বলতে কী বোঝায়?
সঠিক উত্তর
খবিশেষ উত্তোলন অধিকার (SDR)
ব্যাখ্যা
পেপার গোল্ড বা কাগুজে সোনা বলতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিশেষ উত্তোলন অধিকারকে বোঝায়, সংক্ষেপে এসডিআর।
১৯৬৯ সালে মুদ্রা তহবিল এসডিআর চালু করে সদস্য দেশগুলোর রিজার্ভের সম্পূরক হিসেবে। তখন মুদ্রাগুলো সোনা ও ডলারের সঙ্গে বাঁধা ছিল, আর রিজার্ভের ঘাটতি দেখা দিচ্ছিল। এসডিআর দেখতে কাগুজে হিসাব, কিন্তু সোনার মতোই রিজার্ভ সম্পদের কাজ করে; তাই নাম কাগুজে সোনা।
এসডিআর নিজে কোনো মুদ্রা নয়; প্রয়োজনে দেশগুলো একে মুদ্রায় বদলে নিতে পারে। এর মূল্য ঠিক হয় পাঁচ মুদ্রার ঝুড়ি দিয়ে: মার্কিন ডলার, ইউরো, চীনা ইউয়ান, জাপানি ইয়েন ও ব্রিটিশ পাউন্ড।
ফাঁদ হলো স্বর্ণমান মুদ্রা, কারণ নামে সোনা আছে; কিন্তু এসডিআর সোনার ওপর ভিত্তি করা নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| চালু | ১৯৬৯, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল |
| ভূমিকা | আন্তর্জাতিক রিজার্ভ সম্পদ, কাগুজে সোনা |
| মুদ্রার ঝুড়ি | ডলার, ইউরো, ইউয়ান, ইয়েন, পাউন্ড |
- ১৯৬৯ সালে মুদ্রা তহবিল এসডিআর চালু করে।
- এটি সোনার মতো আন্তর্জাতিক রিজার্ভ সম্পদ, তাই কাগুজে সোনা।
- মূল্য ঠিক হয় পাঁচ মুদ্রার ঝুড়িতে।
ক. বিশ্বব্যাংকের সুবিধালাভ: বিশ্বব্যাংক উন্নয়ন ঋণ দেয়; এসডিআর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিজার্ভ সম্পদ, বিশ্বব্যাংকের সুবিধা নয়।
গ. স্বর্ণের মানসম্পন্ন ভিত্তিতে মুদ্রা: স্বর্ণমান মানে মুদ্রার মূল্য সোনার সঙ্গে বাঁধা; এসডিআর সোনার ওপর ভিত্তি করা নয়।
ঘ. ঘাটতি অর্থায়ন: ঘাটতি অর্থায়ন মানে সরকারের বাজেট ঘাটতি ঋণ বা নতুন টাকা দিয়ে মেটানো; এর সঙ্গে কাগুজে সোনার সম্পর্ক নেই।
পেপার গোল্ড মানে এসডিআর, চালু ১৯৬৯।
কাগজে লেখা, কাজ করে সোনার মতো।