মূল্যবোধ ও শাসনের মধ্যে সম্পর্ক হলো-
সঠিক উত্তর
খনৈতিক নীতি, স্বচ্ছতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি মূল্যবোধ আর শাসনের সম্পর্ক জানতে চেয়েছে। মূল্যবোধ হলো ভালো-মন্দ বিচারের ভেতরের মানদণ্ড; শাসনে তা ঢুকলে প্রথমে নৈতিক নীতি তৈরি হয়, সেখান থেকে আসে স্বচ্ছতা, আর শেষে সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা।
যুক্তিটা এমন: সততা ও ন্যায়ের মূল্যবোধ থাকলে কর্মকর্তা কিছু লুকাতে চান না, তাই শাসন স্বচ্ছ হয়। আর জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকলে তিনি নিজেকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ মনে করেন। এভাবে মূল্যবোধ শাসনের ভিত্তি হয়ে ওঠে।
উদাহরণ: একজন ইউএনও যদি ত্রাণের তালিকা নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে দেন এবং অভিযোগ এলে শুনানি করেন, তবে তাঁর নৈতিক নীতি স্বচ্ছতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা হিসেবে প্রকাশ পেল।
ফাঁদ হলো প্রথম বিকল্প। নিয়ম ও রাজনৈতিক নির্দেশ মানা আনুগত্য, মূল্যবোধ নয়; নির্দেশ অন্যায় হলে মূল্যবোধ বরং তা মানতে বাধা দেয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- মূল্যবোধ: ভালো-মন্দ বিচারের ভেতরের মানদণ্ড।
- শাসনে তা নৈতিক নীতি হয়ে প্রবেশ করে।
- নৈতিক নীতি থেকে আসে স্বচ্ছতা: লুকানোর কিছু থাকে না।
- শেষ ফল সামাজিক দায়বদ্ধতা: জনগণের কাছে জবাব দেওয়া।
ক. নৈতিক নীতি, নিয়ম ও রাজনৈতিক নির্দেশ মানা: নিয়ম ও রাজনৈতিক নির্দেশ মানা আনুগত্য; অন্যায় নির্দেশ মানা মূল্যবোধের বিরোধী হতে পারে।
গ. স্তরবিন্যাস, স্বচ্ছতা ও ঐতিহ্য: স্তরবিন্যাস ও ঐতিহ্য প্রশাসনের কাঠামো বা অভ্যাস, মূল্যবোধ আর শাসনের সংযোগসূত্র নয়।
ঘ. নৈতিকতা ছাড়া প্রশাসনিক দক্ষতা: নৈতিকতা ছাড়া দক্ষতা মূল্যবোধের অনুপস্থিতি; দক্ষ দুর্নীতিও সম্ভব।
মূল্যবোধ আর শাসনের সম্পর্কের প্রশ্নে ‘নৈতিক’ ও ‘দায়বদ্ধতা’ একসঙ্গে থাকা বিকল্প খুঁজুন; ‘নৈতিকতা ছাড়া’ বা ‘নির্দেশ মানা’ বাদ।
মূল্যবোধ থেকে নীতি, নীতি থেকে স্বচ্ছতা, স্বচ্ছতা থেকে দায়।