দুর্বল শাসন ব্যবস্থায় উন্নয়ন প্রকল্প ব্যর্থ হয় কারন-
সঠিক উত্তর
গসিদ্ধান্ত গ্রহনে স্বচ্ছতা ও সততার অভাব
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে দুর্বল শাসনে উন্নয়ন প্রকল্প কেন ব্যর্থ হয়। মূল কারণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও সততার অভাব। প্রকল্প কোথায় হবে, কে কাজ পাবে, কত খরচ হবে, এসব সিদ্ধান্ত গোপনে ও ব্যক্তিস্বার্থে হলে প্রকল্প শুরু থেকেই দুর্বল।
এর ফল ধাপে ধাপে আসে: প্রয়োজন নয়, প্রভাবের ভিত্তিতে প্রকল্প বাছাই হয়; দরপত্রে কারসাজি হয়; খরচ বাড়ে আর মান কমে; শেষে প্রকল্প সময়মতো শেষ হয় না বা টেকে না। বিশ্বব্যাংকও উনিশশো ঊননব্বই সালে আফ্রিকার অভিজ্ঞতা থেকে বলেছিল, উন্নয়ন সমস্যার গভীরে আছে শাসনের সংকট।
উদাহরণ: অপ্রয়োজনীয় জায়গায় সেতু বানানো, যার দুপাশে সংযোগ সড়ক নেই। এখানে টাকা বা প্রযুক্তির অভাব ছিল না; ছিল ভুল ও অস্বচ্ছ সিদ্ধান্ত।
ফাঁদ হলো সম্পদ বা প্রযুক্তির অভাব। এগুলো যেকোনো দেশে প্রকল্পকে ধীর করতে পারে, কিন্তু প্রশ্নটি ‘দুর্বল শাসন’ নিয়ে, আর শাসনের দুর্বলতা মানেই সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা ও সততার অভাব।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- দুর্বল শাসন: সিদ্ধান্ত গোপনে ও ব্যক্তিস্বার্থে।
- ফল: ভুল প্রকল্প বাছাই ও দরপত্রে কারসাজি।
- খরচ বাড়ে, মান কমে, সম্পদের অপচয় হয়।
- প্রকল্প ব্যর্থ: মূলে স্বচ্ছতা ও সততার অভাব।
ক. সম্পদের অভাব: সম্পদের অভাব প্রকল্প ধীর করতে পারে, কিন্তু দুর্বল শাসনের নিজস্ব ত্রুটি এটি নয়; সম্পদ থাকলেও অস্বচ্ছ সিদ্ধান্তে তা অপচয় হয়।
খ. নাগরিকের বিরোধিতা: নাগরিকের বিরোধিতা প্রায়ই অস্বচ্ছ সিদ্ধান্তেরই ফল; এটি মূল কারণ নয়।
ঘ. প্রযুক্তির অভাব: প্রযুক্তি কেনা যায়; দুর্বল শাসনে প্রযুক্তি থাকলেও ভুল সিদ্ধান্তে প্রকল্প ব্যর্থ হয়।
‘দুর্বল শাসন’ লেখা থাকলে উত্তর শাসনের ভেতরের ত্রুটিতে খুঁজুন; সম্পদ বা প্রযুক্তি বাইরের বিষয়।
টাকা আছে, যন্ত্র আছে, সততা নেই, তাই প্রকল্প নেই।