সাধারনের দৃষ্টিতে কোনটি মূল্যবোধ সম্পন্ন শাসন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য?
সঠিক উত্তর
খনাগরিকের অংশগ্রহণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে সাধারণ মানুষের চোখে মূল্যবোধসম্পন্ন শাসনের বৈশিষ্ট্য কী। উত্তর নাগরিকের অংশগ্রহণ: নাগরিক নীতি তৈরিতে মত দিতে পারেন, অভিযোগ জানাতে পারেন, প্রতিনিধি বেছে নিতে পারেন।
অংশগ্রহণ মানুষের মর্যাদা ও সমতার মূল্যবোধ থেকে আসে: নাগরিককে শাসনের বস্তু নয়, অংশীদার হিসেবে দেখা। বাংলাদেশের সংবিধানের এগারো অনুচ্ছেদেও প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণের কথা আছে।
উদাহরণ: ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট সভা ও ওয়ার্ড সভা, যেখানে গ্রামের মানুষ নিজেরাই বলেন কোন রাস্তা বা নলকূপ আগে দরকার।
বাকি তিনটি সুশাসনের উল্টো। বেছে বেছে আইন প্রয়োগ সমতার পরিপন্থী, কর্তৃত্ববাদ অংশগ্রহণ রুদ্ধ করে, আর গোপনীয়তা স্বচ্ছতার বিপরীত। ‘নির্বাচনী প্রয়োগ’ শব্দে নির্বাচনের সঙ্গে মিল দেখে বিভ্রান্ত হওয়াই ফাঁদ; এর মানে বাছাই করে প্রয়োগ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বিকল্প | কোন মূল্যবোধের বিরোধী বা পক্ষে | রায় |
|---|---|---|
| আইনের নির্বাচনী (বাছাই করা) প্রয়োগ | সমতা ও আইনের শাসনের বিরোধী | না |
| নাগরিকের অংশগ্রহণ | মর্যাদা ও সমতার পক্ষে | হ্যাঁ |
| কর্তৃত্ববাদ | অংশগ্রহণের বিরোধী | না |
| গোপনীয়তা | স্বচ্ছতার বিরোধী | না |
- মূল্যবোধসম্পন্ন শাসন নাগরিককে অংশীদার মনে করে।
- নাগরিকের অংশগ্রহণ: মত, অভিযোগ, প্রতিনিধি নির্বাচন।
- বাছাই করে আইন প্রয়োগ, কর্তৃত্ববাদ, গোপনীয়তা উল্টো বৈশিষ্ট্য।
ক. আইনের নির্বাচনী প্রয়োগ: ‘নির্বাচনী প্রয়োগ’ মানে বেছে বেছে আইন প্রয়োগ, যা সমতা ও আইনের শাসনের বিরোধী; ভোটের নির্বাচন ভেবে ভুল হয়।
গ. কর্তৃত্ববাদ: কর্তৃত্ববাদে সিদ্ধান্ত উপর থেকে চাপানো হয়, নাগরিকের কথা বলার সুযোগ থাকে না।
ঘ. গোপনীয়তা: গোপনীয়তা স্বচ্ছতার বিপরীত; মূল্যবোধসম্পন্ন শাসনে তথ্য খোলা থাকে।
চারটির মধ্যে একটিই ইতিবাচক শব্দ থাকলে সেটাই উত্তর; এখানে অংশগ্রহণ।
জনগণ যেখানে অংশীদার, শাসন সেখানে মূল্যবান।