১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষ নিয়ে রচিত উপন্যাস কোনটি?
সঠিক উত্তর
খঅশনি সংকেত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি ১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষ নিয়ে লেখা উপন্যাস খুঁজতে বলেছে। ১৩৫০ বঙ্গাব্দ মানে ১৯৪৩ সাল, যাকে পঞ্চাশের মন্বন্তর বলা হয়।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অশনি সংকেত এই দুর্ভিক্ষ নিয়ে লেখা। গ্রামবাংলায় ধীরে ধীরে নেমে আসা অভাব আর মানুষের অসহায়তা এর বিষয়। সত্যজিৎ রায় এই উপন্যাস নিয়ে একই নামে চলচ্চিত্র বানিয়েছেন।
ইছামতী ও আরণ্যকও বিভূতিভূষণের উপন্যাস, কিন্তু বিষয় আলাদা। ইছামতীতে নীলকুঠির আমলের নদীতীরের জীবন, আর আরণ্যকে বিহারের অরণ্যজীবন। বিষাদ সিন্ধু মীর মশাররফ হোসেনের, কারবালার কাহিনি।
ফাঁদ হলো একই লেখকের তিনটি উপন্যাস রাখা। লেখক চিনলেই হবে না, বিষয় মেলাতে হবে: দুর্ভিক্ষ মানেই অশনি সংকেত।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| উপন্যাস | লেখক | বিষয় |
|---|---|---|
| অশনি সংকেত | বিভূতিভূষণ | পঞ্চাশের মন্বন্তর |
| ইছামতী | বিভূতিভূষণ | নীলকুঠির আমলের নদীতীর |
| আরণ্যক | বিভূতিভূষণ | অরণ্যজীবন |
| বিষাদ সিন্ধু | মীর মশাররফ হোসেন | কারবালা |
| ১৩৫০ বঙ্গাব্দ | ১৯৪৩ সাল | দুর্ভিক্ষ |
- ১৩৫০ বঙ্গাব্দ মানে ১৯৪৩, পঞ্চাশের মন্বন্তর।
- এই দুর্ভিক্ষ নিয়ে বিভূতিভূষণের উপন্যাস অশনি সংকেত।
- ইছামতী, আরণ্যকের বিষয় আলাদা; বিষাদ সিন্ধু কারবালার কাহিনি।
ক. ইছামতি: ইছামতী বিভূতিভূষণের উপন্যাস, তবে বিষয় নীলকুঠির আমলের নদীতীরের জীবন; একই লেখকের বলে ফাঁদ।
গ. আরণ্যক: আরণ্যক বিভূতিভূষণের অরণ্যজীবনের উপন্যাস; দুর্ভিক্ষ এর বিষয় নয়।
ঘ. বিষাদসিন্ধু: বিষাদ সিন্ধু মীর মশাররফ হোসেনের, কারবালার কাহিনি; উনিশ শতকের এই বই বিশ শতকের দুর্ভিক্ষ নিয়ে হতে পারে না।
বঙ্গাব্দকে সালে নিতে ৫৯৩ যোগ করুন: ১৩৫০ যোগ ৫৯৩ সমান ১৯৪৩, পঞ্চাশের মন্বন্তর।
অশনি মানে বজ্র, আর সংকেত দুর্ভিক্ষের।