আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · পাতা ১৩
২৪১. সার্ক-এর সদস্য দেশ কয়টি? (৩৩তম বিসিএস, ২০১২)
- ক৬
- খ৭
- গ৮
- ঘ৯
সঠিক উত্তর: গ. ৮
প্রশ্নটা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সার্কের সদস্য দেশের সংখ্যা জানতে চেয়েছে। উত্তর ৮।
১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় সাতটি দেশ নিয়ে সার্কের যাত্রা শুরু হয়: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ। ২০০৭ সালে নয়াদিল্লিতে চতুর্দশ শীর্ষ সম্মেলনে আফগানিস্তান অষ্টম সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
এই প্রশ্নে সময়টা গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৭ সালের আগের বই দেখলে উত্তর আসত ৭, পরে ৮। সদস্য ছাড়াও সার্কের কয়েকটি পর্যবেক্ষক আছে, যেমন চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন; পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ৯।
ফাঁদ ৭ ও ৯: ৭ হলো প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যসংখ্যা, আর ৯ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা। সদস্য গুনতে হবে শুধু পূর্ণ সদস্য দেশ।
মনে রাখুন: সার্ক: ৭ প্রতিষ্ঠাতা + আফগানিস্তান = ৮ সদস্য; পর্যবেক্ষক ৯।
২৪২. পৃথিবীর বৃহত্তম বিমান বন্দরটি কোথায় অবস্থিত? (৩৩তম বিসিএস, ২০১২)
- কনিউইয়র্ক
- খলন্ডন
- গবার্লিন
- ঘদাম্মামে
সঠিক উত্তর: ঘ. দাম্মামে
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম বিমানবন্দর কোথায়। এখানে বৃহত্তম মানে আয়তনে বৃহত্তম। উত্তর সৌদি আরবের দাম্মাম।
দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এলাকা প্রায় ৭৭৬ বর্গকিলোমিটার। এত বড় এলাকার কারণে আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত।
বৃহত্তম বিমানবন্দরের প্রশ্নে মাপকাঠিটা খেয়াল করুন। আয়তনে বৃহত্তম কিং ফাহাদ, কিন্তু যাত্রীসংখ্যায় ব্যস্ততম বিমানবন্দর যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার হার্টসফিল্ড জ্যাকসন বিমানবন্দর।
ফাঁদ নিউইয়র্ক ও লন্ডন: এসব শহরের বিমানবন্দর খুব ব্যস্ত ও বিখ্যাত বলে বড় মনে হয়, কিন্তু আয়তনে দাম্মামের ধারেকাছেও নয়।
মনে রাখুন: আয়তনে বড় দাম্মাম, যাত্রীতে বড় আটলান্টা।
২৪৩. ২০১৪ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? (৩৩তম বিসিএস, ২০১২)
- কলন্ডন
- খবার্লিন
- গব্রাজিল
- ঘআর্জেন্টিনা
সঠিক উত্তর: গ. ব্রাজিল
প্রশ্নটা ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক দেশ জানতে চেয়েছে। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ, যা ছিল বিশতম আসর, অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে।
২০১২ সালের এই পরীক্ষার সময় আসরটি ছিল আসন্ন। ফিফা ২০০৭ সালেই ব্রাজিলকে ২০১৪ সালের আয়োজক ঘোষণা করেছিল। পরীক্ষার পরে, ২০১৪ সালের ফাইনালে রিও ডি জেনেইরোর মারাকানা স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনাকে এক শূন্য গোলে হারিয়ে জার্মানি চ্যাম্পিয়ন হয়।
বিশ্বকাপ আয়োজন করে একটি দেশ, কোনো শহর নয়। তাই লন্ডন বা বার্লিনের মতো শহরের নাম দেখেই বাদ দেওয়া যায়। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল ১৯৬৬ সালে, জার্মানি ২০০৬ সালে।
ফাঁদ হলো আর্জেন্টিনা: দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল শক্তি বলে নামটা মনে আসে, কিন্তু আর্জেন্টিনা আয়োজক ছিল ১৯৭৮ সালে, ২০১৪ সালে নয়।
মনে রাখুন: বিকল্পে শহর আর দেশ মেশানো থাকলে মনে রাখুন, বিশ্বকাপের আয়োজক সবসময় দেশ।
২৪৪. পূর্বে কোন দেশটি শ্যামদেশ নামে পরিচিত ছিল? (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- কমালয়েশিয়া
- খইন্দোনেশিয়া
- গথাইল্যান্ড
- ঘমায়ানমার
সঠিক উত্তর: গ. থাইল্যান্ড
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোন দেশের পুরোনো নাম শ্যামদেশ। উত্তর থাইল্যান্ড।
ইংরেজিতে শ্যামদেশকে বলা হতো সিয়াম। ১৯৩৯ সালে দেশটির নাম বদলে থাইল্যান্ড রাখা হয়, যার অর্থ স্বাধীন মানুষের দেশ। মাঝে কয়েক বছর আবার সিয়াম নাম ফিরলেও ১৯৪৯ সাল থেকে স্থায়ীভাবে থাইল্যান্ড।
দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর পুরোনো নাম একসঙ্গে মনে রাখুন: মায়ানমারের পুরোনো নাম বার্মা, ইন্দোনেশিয়া ছিল ওলন্দাজ ইস্ট ইন্ডিজ, আর মালয়েশিয়ার মূল ভূখণ্ড ছিল মালয় ফেডারেশন।
থাইল্যান্ড এই অঞ্চলের একমাত্র দেশ যা কখনো ইউরোপীয় উপনিবেশ হয়নি; তাই এর নাম বদল উপনিবেশ থেকে মুক্তির কারণে নয়, নিজের সিদ্ধান্তে।
মনে রাখুন: শ্যাম মানে সিয়াম, সিয়াম মানে থাইল্যান্ড।
২৪৫. হারারে’র পূর্ব নাম কি? (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- কসলসব্যারী
- খরোডেসিয়া
- গজিবুতি
- ঘজায়ারে
সঠিক উত্তর: ক. সলসব্যারী
প্রশ্নটা জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারের পুরোনো নাম জানতে চেয়েছে। উত্তর সলসবারি।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড সলসবারির নামে শহরটির নাম রাখা হয়েছিল সলসবারি। ১৯৮০ সালে জিম্বাবুয়ে স্বাধীন হয়, আর ১৯৮২ সালে রাজধানীর নাম বদলে হারারে রাখা হয়।
এখানে মূল সতর্কতা হলো শহর আর দেশের পুরোনো নাম আলাদা করা। রোডেশিয়া ছিল দেশ জিম্বাবুয়ের পুরোনো নাম, শহর হারারের নয়। জায়ার ছিল গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর পুরোনো নাম, আর জিবুতি নিজেই একটি দেশ ও তার রাজধানীর নাম।
ফাঁদ রোডেশিয়া: জিম্বাবুয়ের সঙ্গে নামটা জড়িত বলে অনেকে এটিই বেছে নেন। প্রশ্ন কিন্তু শহরের নাম জানতে চেয়েছে।
মনে রাখুন: শহরের প্রশ্নে শহরের নাম: হারারে আগে সলসবারি; দেশের প্রশ্নে রোডেশিয়া।
২৪৬. কবে ফরাসী বিপ্লব সংঘটিত হয়? (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- ক১৭৮৯
- খ১৭৯১
- গ১৭৯৫
- ঘ১৮০০
সঠিক উত্তর: ক. ১৭৮৯
প্রশ্নটা ফরাসি বিপ্লবের সাল জানতে চেয়েছে। উত্তর ১৭৮৯।
১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই প্যারিসের জনতা রাজতন্ত্রের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ দখল করে; এই ঘটনাকেই ফরাসি বিপ্লবের সূচনা ধরা হয়, আর দিনটি এখন ফ্রান্সের জাতীয় দিবস। একই বছর মানুষ ও নাগরিকের অধিকারের ঘোষণা গৃহীত হয়। বিপ্লবের মূলমন্ত্র ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও মৈত্রী।
বিপ্লব এক দিনের ঘটনা নয়, কয়েক বছর ধরে চলা প্রক্রিয়া। ১৭৯১ সালে প্রথম লিখিত সংবিধান হয়, ১৭৯৫ সাল থেকে ডিরেক্টরি নামের সরকার চলে, আর ১৭৯৯ সালে নেপোলিয়ন ক্ষমতা দখল করলে বিপ্লবী পর্বের অবসান হয়।
তাই বিকল্পের অন্য সালগুলো বিপ্লবের পরের ধাপের সঙ্গে মেলে, কিন্তু প্রশ্ন জানতে চেয়েছে বিপ্লব কবে সংঘটিত হয়, অর্থাৎ শুরুর সাল ১৭৮৯।
মনে রাখুন: ফরাসি বিপ্লব ১৭৮৯; বাস্তিল দিবস ১৪ জুলাই।
২৪৭. কার্ল মার্কস কোন দেশে মৃত্যুবরণ করেন? (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- কজার্মানি
- খফ্রান্স
- গযুক্তরাজ্য
- ঘরাশিয়া
সঠিক উত্তর: গ. যুক্তরাজ্য
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কার্ল মার্কস কোন দেশে মারা যান। উত্তর যুক্তরাজ্য।
মার্কস ১৮১৮ সালে জার্মানির ত্রিয়ের শহরে জন্মান। বিপ্লবী লেখালেখির কারণে তাঁকে একের পর এক দেশ ছাড়তে হয়: প্যারিস, তারপর ব্রাসেলস। ১৮৪৯ সাল থেকে তিনি স্থায়ীভাবে লন্ডনে থাকেন।
লন্ডনে বসেই তিনি তাঁর প্রধান গ্রন্থ ডাস ক্যাপিটালের প্রথম খণ্ড লেখেন, যা ১৮৬৭ সালে প্রকাশিত হয়। ১৮৮৩ সালের মার্চে লন্ডনেই তাঁর মৃত্যু হয়, আর তাঁকে লন্ডনের হাইগেট সমাধিক্ষেত্রে সমাহিত করা হয়।
ফাঁদ জার্মানি ও রাশিয়া: জার্মানি তাঁর জন্মভূমি, আর রাশিয়ায় তাঁর মতাদর্শ সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। কিন্তু মৃত্যু হয় নির্বাসিত জীবনে, লন্ডনে।
মনে রাখুন: জন্ম জার্মানিতে, মৃত্যু লন্ডনে: জন্ম আর মৃত্যুর দেশ গুলিয়ে ফেলবেন না।
২৪৮. আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ কে ছিলেন? (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- কদাউদ খাঁ
- খজহির শাহ
- গনাদির শাহ
- ঘনজীবুল্লাহ
সঠিক উত্তর: খ. জহির শাহ
প্রশ্নটা আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহর নাম জানতে চেয়েছে। উত্তর মোহাম্মদ জহির শাহ।
জহির শাহ ১৯৩৩ সালে বাবা নাদির শাহ নিহত হওয়ার পর বাদশাহ হন এবং প্রায় ৪০ বছর রাজত্ব করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি যখন চিকিৎসার জন্য ইতালিতে ছিলেন, তখন তাঁর চাচাতো ভাই ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ দাউদ খান অভ্যুত্থান ঘটিয়ে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করেন এবং আফগানিস্তানকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।
তাই জহির শাহের পর আফগানিস্তানে আর কোনো বাদশাহ হয়নি। দাউদ খান নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন, আর পরে নজিবুল্লাহ কমিউনিস্ট সরকারের প্রেসিডেন্ট হন।
ফাঁদ দাউদ খান: রাজতন্ত্রের অবসান তাঁর হাতে হলেও তিনি বাদশাহ ছিলেন না, ছিলেন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
মনে রাখুন: শেষ বাদশাহ জহির শাহ, প্রথম প্রেসিডেন্ট দাউদ খান: ১৯৭৩ সালে পালাবদল।
২৪৯. স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সর্বপ্রথম কোন দেশ স্বীকৃতি দান করে? (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- কইরাক
- খইরান
- গসৌদি আরব
- ঘআলজেরিয়া
সঠিক উত্তর: ঘ. আলজেরিয়া
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে প্রথম কোন দেশ স্বীকৃতি দেয়। উত্তর আলজেরিয়া।
১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে ফিলিস্তিনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে পিএলও নেতা ইয়াসির আরাফাত স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ঘোষণা দেন। আয়োজক দেশ আলজেরিয়া সেদিনই প্রথম দেশ হিসেবে নতুন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়।
মনে রাখার সূত্র: ঘোষণা যেখানে, প্রথম স্বীকৃতিও সেখান থেকে। আলজেরিয়া নিজেও দীর্ঘ মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৬২ সালে ফ্রান্স থেকে স্বাধীন হয়েছিল, তাই ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার সংগ্রামে দেশটি শুরু থেকেই সরব।
ফাঁদ সৌদি আরব ও ইরাক: আরব বিশ্বের প্রভাবশালী দেশ বলে অনেকে এদের প্রথম ভাবেন। তারাও স্বীকৃতি দিয়েছে, কিন্তু প্রথম নয়।
মনে রাখুন: ঘোষণা যেখানে, প্রথম স্বীকৃতি সেখান থেকে: আলজিয়ার্সে ঘোষণা, আলজেরিয়ার স্বীকৃতি।
২৫০. ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ কোন দুটি রাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে? (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- কইসরাইল ও জর্ডান
- খভারত ও পাকিস্তান
- গচীন ও তাইওয়ান
- ঘদক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর: খ. ভারত ও পাকিস্তান
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে লাইন অব কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণরেখা কোন দুই দেশের মধ্যে। উত্তর ভারত ও পাকিস্তান।
কাশ্মীর অঞ্চলে ভারত নিয়ন্ত্রিত ও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত অংশের মধ্যকার সামরিক নিয়ন্ত্রণরেখাই লাইন অব কন্ট্রোল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর যুদ্ধবিরতি রেখাটিকে ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তিতে এই নাম দেওয়া হয়। এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্ত নয়, নিয়ন্ত্রণের রেখা।
অন্য বিকল্পের অঞ্চলগুলোতেও বিভাজন রেখা আছে, কিন্তু নাম আলাদা। ইসরায়েল ও প্রতিবেশীদের ১৯৪৯ সালের যুদ্ধবিরতি রেখা গ্রিন লাইন নামে পরিচিত, দুই কোরিয়ার মাঝে আছে অসামরিক অঞ্চল, আর চীন ও তাইওয়ানের মাঝে তাইওয়ান প্রণালী।
সতর্ক থাকুন: ভারত ও চীনের মধ্যকার রেখার নাম লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল বা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা। লাইন অব কন্ট্রোল শুধু ভারত ও পাকিস্তানের।
মনে রাখুন: লাইন অব কন্ট্রোল ভারত পাকিস্তান; অ্যাকচুয়াল যোগ হলে ভারত চীন।
২৫১. মধ্য আমেরিকার কোন দেশে স্থায়ী সেনাবাহিনী নেই? (৩১তম বিসিএস, ২০১১)
- ককলাম্বিয়া
- খনিকারাগুয়া
- গকোস্টারিকা
- ঘএল সালভাদর
সঠিক উত্তর: গ. কোস্টারিকা
প্রশ্নটা মধ্য আমেরিকার এমন দেশ খুঁজছে, যার স্থায়ী সেনাবাহিনী নেই। উত্তর কোস্টারিকা।
১৯৪৮ সালের গৃহযুদ্ধের পর নেতা হোসে ফিগেরেস কোস্টারিকার সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করেন। ১৯৪৯ সালের সংবিধানে স্থায়ী সেনাবাহিনী রাখা নিষিদ্ধ করা হয়; দেশের নিরাপত্তা দেখে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। সামরিক খাতের অর্থ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে খরচ করার জন্য দেশটি পরিচিত।
প্রতিবেশী পানামাও ১৯৯০ সালে সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করে, তবে সেটি বিকল্পে নেই। এ ধরনের প্রশ্নে আগে দেখুন বিকল্পের দেশগুলো আসলেই মধ্য আমেরিকার কি না।
ফাঁদ কলম্বিয়া: নামটি পরিচিত, কিন্তু কলম্বিয়া দক্ষিণ আমেরিকার দেশ এবং এর বড় সেনাবাহিনী আছে। নিকারাগুয়া ও এল সালভাদর মধ্য আমেরিকার হলেও দুই দেশেরই সেনাবাহিনী আছে।
মনে রাখুন: সেনাবাহিনী নেই এমন মধ্য আমেরিকার দেশ: কোস্টারিকা, পরে পানামা।
২৫২. ষোড়শ সার্ক সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? (৩০তম বিসিএস, ২০১০)
- কঢাকা
- খকাঠমাণ্ডু
- গথিম্পু
- ঘমালে
সঠিক উত্তর: গ. থিম্পু
প্রশ্নটা ষোড়শ সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের স্থান জানতে চেয়েছে। উত্তর ভুটানের রাজধানী থিম্পু।
২০১০ সালের এপ্রিলে থিম্পুতে এই সম্মেলন হয়, পরীক্ষার কয়েক মাস আগে। সার্কের ২৫ বছর পূর্তির এই সম্মেলনের মূল ভাবনা ছিল সবুজ ও সুখী দক্ষিণ এশিয়ার দিকে, আর জলবায়ু পরিবর্তন ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। ভুটান এই প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করে।
আগের কয়েকটি সম্মেলনের স্থান পাশাপাশি মনে রাখলে বিভ্রান্তি কমে: ত্রয়োদশ ঢাকায় ২০০৫ সালে, চতুর্দশ নয়াদিল্লিতে ২০০৭ সালে, পঞ্চদশ কলম্বোতে ২০০৮ সালে, তারপর ষোড়শ থিম্পুতে।
ফাঁদ ঢাকা ও কাঠমান্ডু: ঢাকায় সার্কের প্রথম ও ত্রয়োদশসহ একাধিক সম্মেলন হয়েছে, আর কাঠমান্ডুতে সার্কের সচিবালয়; তাই নাম দুটো বেশি চেনা লাগে।
মনে রাখুন: তেরো ঢাকা, চোদ্দ দিল্লি, পনেরো কলম্বো, ষোলো থিম্পু।
২৫৩. বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট কোনটি? (৩০তম বিসিএস, ২০১০)
- কEU
- খWTO
- গNATO
- ঘFIFA
সঠিক উত্তর: ক. EU
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে বিকল্পগুলোর মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট কোনটি। উত্তর ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
পরীক্ষার সময়, ২০১০ সালে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য ছিল ২৭টি দেশ। সদস্যদের মধ্যে পণ্য, সেবা, পুঁজি ও মানুষের অবাধ চলাচলের একক বাজার আছে, আর অনেক সদস্য অভিন্ন মুদ্রা ইউরো ব্যবহার করে। সম্মিলিত অর্থনীতির আকারে এটি তখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট।
প্রশ্নের মূল শব্দ জোট। জোট মানে কয়েকটি দেশের নিজেদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা প্রায় সব দেশের বাণিজ্যের নিয়ম ঠিক করার বহুপাক্ষিক সংস্থা, কোনো আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট নয়।
ফাঁদ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা: সদস্যসংখ্যা অনেক বেশি বলে কিছু গাইড এটিকেই উত্তর লেখে। কিন্তু এটি সংস্থা, জোট নয়; আর ন্যাটো সামরিক জোট, ফিফা ফুটবলের সংস্থা।
মনে রাখুন: জোট আর সংস্থা আলাদা: অর্থনৈতিক জোট খুঁজলে ইইউ, বাণিজ্যের নিয়ম খুঁজলে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা।
২৫৪. নিম্নের কোন দেশটি G-7 এর সদস্য নয়? (৩০তম বিসিএস, ২০১০)
- কজাপান
- খযুক্তরাজ্য
- গফ্রান্স
- ঘসুইডেন
সঠিক উত্তর: ঘ. সুইডেন
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোন দেশ জি-৭ এর সদস্য নয়। উত্তর সুইডেন।
জি-৭ হলো শিল্পোন্নত সাতটি বড় অর্থনীতির দেশের জোট: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডা ও জাপান। ১৯৭৫ সালে ফ্রান্সে ছয় দেশের শীর্ষ বৈঠক দিয়ে এর শুরু, ১৯৭৬ সালে কানাডা যোগ দিলে সদস্য হয় সাত। পরীক্ষার সময় রাশিয়াকে নিয়ে জি-৮ হিসেবেও বৈঠক হতো।
সাত সদস্য মনে রাখার একটা উপায়: উত্তর আমেরিকার দুটি, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা; ইউরোপের চারটি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালি; আর এশিয়ার একটি, জাপান।
সুইডেন উন্নত ও ধনী দেশ হলেও জি-৭ এর সদস্য নয়। ধনী দেশ মানেই জি-৭ সদস্য, এই ধারণাটাই এখানে ফাঁদ।
মনে রাখুন: জি-৭: দুই আমেরিকা, চার ইউরোপ, এক এশিয়া; এর বাইরে যে নাম, সেটাই উত্তর।
২৫৫. কোথায় সেনাবাহিনী নেই? (৩০তম বিসিএস, ২০১০)
- কসুদান
- খসাইপ্রাস
- গমালদ্বীপ
- ঘভুটান
সঠিক উত্তর: গ. মালদ্বীপ
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোন দেশে সেনাবাহিনী নেই। প্রচলিত উত্তর মালদ্বীপ।
মালদ্বীপে আলাদা সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী আর বিমানবাহিনী নেই। দেশের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব একটি সমন্বিত বাহিনীর হাতে, যার নাম মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স; কোস্টগার্ডসহ নানা শাখা এর অংশ। এই অর্থে বলা হয়, মালদ্বীপের প্রথাগত সেনাবাহিনী নেই।
তবে মনে রাখবেন, কঠোর অর্থে মালদ্বীপেরও সশস্ত্র প্রতিরক্ষা বাহিনী আছে। প্রশ্নের প্রচলিত উত্তর মালদ্বীপ, কারণ বাকি তিন দেশের নামে আলাদা সেনাবাহিনী আছে: সুদানের সশস্ত্র বাহিনী, সাইপ্রাসের ন্যাশনাল গার্ড আর ভুটানের রয়েল ভুটান আর্মি।
ফাঁদ ভুটান: ছোট ও শান্তিপ্রিয় দেশ বলে অনেকে ভাবেন সেখানে সেনাবাহিনী নেই, কিন্তু রয়েল ভুটান আর্মি দেশটির নিয়মিত সেনাবাহিনী।
মনে রাখুন: বিকল্পে যে দেশের আলাদা সেনাবাহিনী নেই, শুধু সমন্বিত প্রতিরক্ষা বাহিনী আছে, সেটিই উত্তর: মালদ্বীপ।
২৫৬. কবে রেডক্রস প্রতিষ্ঠিত হয়? (৩০তম বিসিএস, ২০১০)
- ক১৮৬৩ সালে
- খ১৮৬৮ সালে
- গ১৮৬৬ সালে
- ঘ১৮৬১ সালে
সঠিক উত্তর: ক. ১৮৬৩ সালে
প্রশ্নটা রেডক্রস প্রতিষ্ঠার সাল জানতে চেয়েছে। উত্তর ১৮৬৩।
১৮৫৯ সালে ইতালির সলফেরিনোর যুদ্ধে হাজার হাজার আহত সৈন্যকে চিকিৎসাহীন পড়ে থাকতে দেখেন সুইস ব্যবসায়ী অঁরি ডুনান্ট। সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে ১৮৬২ সালে তিনি সলফেরিনোর স্মৃতি নামে বই লেখেন, যেখানে যুদ্ধাহতদের সেবায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রস্তাব দেন।
এর ফলে ১৮৬৩ সালে জেনেভায় একটি কমিটি গঠিত হয়, যা পরে আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি নামে পরিচিত হয়। পরের বছর, ১৮৬৪ সালে, যুদ্ধাহতদের সুরক্ষায় প্রথম জেনেভা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়। ডুনান্ট ১৯০১ সালে প্রথম নোবেল শান্তি পুরস্কারের অন্যতম বিজয়ী, আর তাঁর জন্মদিন ৮ মে বিশ্ব রেডক্রস দিবস।
ক্রমটা মনে রাখুন: ১৮৫৯ সালে যুদ্ধ, ১৮৬২ সালে বই, ১৮৬৩ সালে সংগঠন, ১৮৬৪ সালে কনভেনশন। বিকল্পের অন্য সালগুলো এই ক্রমে বসে না।
মনে রাখুন: যুদ্ধ ১৮৫৯, বই ১৮৬২, রেডক্রস ১৮৬৩, কনভেনশন ১৮৬৪: পরপর ধাপে।
২৫৭. বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কবে পালিত হয়? (৩০তম বিসিএস, ২০১০)
- ক২৬ জুন
- খ১ আগস্ট
- গ১ মে
- ঘ১০ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর: ঘ. ১০ ডিসেম্বর
প্রশ্নটা বিশ্ব মানবাধিকার দিবসের তারিখ জানতে চেয়েছে। উত্তর ১০ ডিসেম্বর।
১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর প্যারিসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। এই ঘোষণাপত্রে প্রথমবারের মতো সব মানুষের জন্য মৌলিক অধিকারের একটি সর্বজনীন তালিকা তৈরি হয়; খসড়া কমিটির সভাপতি ছিলেন এলিনর রুজভেল্ট।
এই দিনটিকে স্মরণ করতেই প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর মানবাধিকার দিবস পালিত হয়। দিবসের প্রশ্নে সাধারণ কৌশল হলো দিবসের পেছনের ঘটনাটা মনে রাখা; ঘটনার তারিখই সাধারণত দিবসের তারিখ।
অন্য তারিখগুলোও আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পরিচিত, তাই বিভ্রান্তি হয়: ১ মে শ্রমিক দিবস, ২৬ জুন মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস, আর ১ আগস্ট থেকে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ শুরু হয়।
মনে রাখুন: মানবাধিকার ঘোষণাপত্র ১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮: সেই দিনই মানবাধিকার দিবস।
২৫৮. FIFA প্রতিষ্ঠিত হয় কবে? (৩০তম বিসিএস, ২০১০)
- ক১৯০৪
- খ১৯২৪
- গ১৯১৪
- ঘ১৯০৫
সঠিক উত্তর: ক. ১৯০৪
প্রশ্নটা ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার প্রতিষ্ঠার সাল জানতে চেয়েছে। উত্তর ১৯০৪।
১৯০৪ সালের ২১ মে প্যারিসে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ডের প্রতিনিধিরা মিলে ফিফা গঠন করেন। ফিফার পূর্ণ নামও ফরাসি ভাষায়। এখন এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জুরিখে।
মজার তথ্য হলো, আধুনিক ফুটবলের জন্মভূমি ইংল্যান্ড প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল না; ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ফিফায় যোগ দেয় পরের বছর, ১৯০৫ সালে। আর ফিফার আয়োজনে প্রথম বিশ্বকাপ হয় ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে।
ফাঁদ ১৯০৫: এটি ইংল্যান্ডের যোগদানের সাল, প্রতিষ্ঠার নয়। ১৯১৪ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর বছর, আর ১৯২৪ সালে প্যারিস অলিম্পিকের ফুটবল আসর ফিফা আয়োজন করেছিল।
মনে রাখুন: ফিফা ১৯০৪ প্যারিসে; ইংল্যান্ড ১৯০৫; প্রথম বিশ্বকাপ ১৯৩০।
২৫৯. কিরগিজস্তানের রাজধানী কোথায়? (৩০তম বিসিএস, ২০১০)
- কবিশকেক
- খআলমাআতা
- গআশখাবাদ
- ঘউলানবাটো
সঠিক উত্তর: ক. বিশকেক
প্রশ্নটা মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তানের রাজধানী জানতে চেয়েছে। উত্তর বিশকেক।
কিরগিজস্তান ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে স্বাধীন হয়। সোভিয়েত আমলে রাজধানী বিশকেকের নাম ছিল ফ্রুঞ্জে; ১৯৯১ সালে, স্বাধীনতার বছরেই, শহরটি পুরোনো নাম বিশকেক ফিরে পায়।
মধ্য এশিয়ার রাজধানীগুলো প্রায়ই একসঙ্গে বিকল্পে আসে, তাই পাশাপাশি মনে রাখুন। কাজাখস্তানের রাজধানী ছিল আলমাআতা, ১৯৯৭ সালে রাজধানী সরে যায় আস্তানায়; তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশখাবাদ; আর মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোর।
ফাঁদ আলমাআতা: শহরটি কিরগিজস্তানের সীমানার খুব কাছে এবং মধ্য এশিয়ার পরিচিত শহর, কিন্তু এটি কাজাখস্তানের, আর এখন রাজধানীও নয়।
মনে রাখুন: কিরগিজ বিশকেক, কাজাখ আস্তানা, তুর্কমেন আশখাবাদ, মঙ্গোল উলানবাটোর।
২৬০. আইএলও-র সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? (২৯তম বিসিএস, ২০০৯)
- কলন্ডন
- খজেনেভা
- গনিউইয়র্ক
- ঘদিল্লী
সঠিক উত্তর: খ. জেনেভা
প্রশ্নটা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলওর সদর দপ্তর কোথায়, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে আইএলও প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪৬ সালে এটি জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থা হয়। এর বিশেষত্ব হলো ত্রিপক্ষীয় কাঠামো: সরকার, মালিক ও শ্রমিক, তিন পক্ষের প্রতিনিধিই এতে সিদ্ধান্ত নেন।
১৯৬৯ সালে, প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তিতে, আইএলও নোবেল শান্তি পুরস্কার পায়। জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তরও আছে, তাই জেনেভাকে মনে রাখুন শ্রম ও স্বাস্থ্যের শহর হিসেবে।
ফাঁদ নিউইয়র্ক: জাতিসংঘের সদর দপ্তর সেখানে বলে অনেকে সব সংস্থার দপ্তর সেখানেই ভাবেন। কিন্তু বিশেষায়িত সংস্থাগুলোর সদর দপ্তর নানা শহরে ছড়ানো।
মনে রাখুন: শ্রম ও স্বাস্থ্য জেনেভায়: আইএলও আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।