বাংলা ভাষা ও সাহিত্যজনতা ব্যাংক: অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার (২০১৭)

’হরবোলা’ কোন সমাস?

সঠিক উত্তর

কউপপদ তৎপুরুষ

ব্যাখ্যা

হরবোলা মানে যে সব রকম পশুপাখি ও মানুষের বোল বা আওয়াজ নকল করতে পারে। ব্যাসবাক্য: হর বোল বলে যে। এখানে হর মানে সব বা নানা রকম।

উপপদ তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদ, অর্থাৎ উপপদ, আর তার পরের কৃদন্ত পদ মিলে সমাস হয়। ব্যাসবাক্যে থাকে যে বা যা দিয়ে কর্তা বোঝানো। হর বোল বলে যে, তাই হরবোলা উপপদ তৎপুরুষ।

একই রকম উদাহরণ: জলে চরে যা, তাই জলচর; পঙ্কে জন্মে যা, তাই পঙ্কজ; ছেলে ধরে যে, তাই ছেলেধরা।

ফাঁদ বহুব্রীহি, কারণ বহুব্রীহির ব্যাসবাক্যেও যে বা যার থাকে। পার্থক্য হলো, উপপদ তৎপুরুষে শেষ পদটি ক্রিয়া থেকে আসে, যেমন বলা থেকে বোলা; বহুব্রীহিতে দুটি পদই নাম বা বিশেষণ, যেমন নীলকণ্ঠ।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
হর বোল+বলে যে
হর+বোলা→হরবোলা

উপপদ + কৃদন্ত পদ = উপপদ তৎপুরুষ: জলচর, পঙ্কজ, ছেলেধরা

  1. ব্যাসবাক্য লিখি: হর বোল বলে যে।
  2. শেষ পদ বোলা এসেছে বলা ক্রিয়া থেকে, অর্থাৎ কৃদন্ত পদ।
  3. উপপদ যোগ কৃদন্ত পদ: উপপদ তৎপুরুষ।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

খ. অব্যয়ীভাব: অব্যয়ীভাবে পূর্বপদ অব্যয় থাকে, যেমন উপকূল; হর অব্যয় নয়।

গ. বহুব্রীহি: বহুব্রীহির মতো দেখালেও শেষ পদ ক্রিয়াজাত, তাই উপপদ তৎপুরুষ।

ঘ. কর্মধারয়: কর্মধারয়ে বিশেষণ ও বিশেষ্যের সম্পর্ক থাকে, যেমন নীলপদ্ম; এখানে নেই।

শর্টকাট

ব্যাসবাক্যে করে যে, ধরে যে, বলে যে থাকলে আর শেষ পদ ক্রিয়ামূলক হলে উপপদ তৎপুরুষ।

মনে রাখুন

হর বোল বলে যে, সে-ই হরবোলা।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: এ রকম আরও প্রশ্ন

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-এর সব প্রশ্ন › · জনতা ব্যাংক: অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার (২০১৭)-এর পুরো প্রশ্নপত্র ›