’কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
সঠিক উত্তর
কসৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ
ব্যাখ্যা
কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাসের লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, প্রকাশিত ১৯৬৮ সালে। এটি তাঁর তৃতীয় ও শেষ উপন্যাস।
উপন্যাসটি চেতনাপ্রবাহ রীতিতে লেখা, যেখানে চরিত্রের মনের ভেতরের চিন্তা ধারাবাহিকভাবে উঠে আসে। কুমুরডাঙা নামের এক মফস্বল শহরের পাশের নদী শুকিয়ে যাওয়া আর মানুষের কুসংস্কার এর বিষয়।
তাঁর অন্য দুটি উপন্যাস লালসালু, ১৯৪৮ সালে, আর চাঁদের অমাবস্যা, ১৯৬৪ সালে। তিনটির ক্রম মনে রাখলে প্রশ্ন সহজ হয়।
বাকি তিনজনও বড় ঔপন্যাসিক, তাই ফাঁদ। শওকত ওসমানের জননী ও ক্রীতদাসের হাসি, আবুল মনসুর আহমদের আয়না ও ফুড কনফারেন্স, আর আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের চিলেকোঠার সেপাই ও খোয়াবনামা।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| লেখক | প্রধান রচনা |
|---|---|
| সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ | লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা, কাঁদো নদী কাঁদো |
| শওকত ওসমান | জননী, ক্রীতদাসের হাসি |
| আবুল মনসুর আহমদ | আয়না, ফুড কনফারেন্স |
| আখতারুজ্জামান ইলিয়াস | চিলেকোঠার সেপাই, খোয়াবনামা |
- লেখক চিনি: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, তিনটি উপন্যাস।
- ১৯৪৮ লালসালু, ১৯৬৪ চাঁদের অমাবস্যা, ১৯৬৮ কাঁদো নদী কাঁদো।
- অন্য তিন লেখকের প্রধান রচনা মিলিয়ে নিশ্চিত হই।
খ. শওকত ওসমান: শওকত ওসমান জননী ও ক্রীতদাসের হাসির লেখক।
গ. আবুল মনসুর আহমেদ: আবুল মনসুর আহমদ ব্যঙ্গরচনা আয়না ও ফুড কনফারেন্সের লেখক।
ঘ. আখতরুজ্জামান ইলিয়াস: আখতারুজ্জামান ইলিয়াস চিলেকোঠার সেপাই ও খোয়াবনামার লেখক।
ওয়ালীউল্লাহর তিন উপন্যাস: লাল, চাঁদ, নদী।
লালসালু থেকে চাঁদ, চাঁদ থেকে কাঁদো নদী।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: এ রকম আরও প্রশ্ন
- 'সোনালী কাবিন ' এর রচয়িতা কে?সমন্বিত ৬ ব্যাংক ও ২ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার (২০১৯)
- 'সুড়ঙ্গ' নাটকটির রচয়িতা -রূপালী ব্যাংক: অফিসার (ক্যাশ) (২০১৮)
- 'নদী' শব্দের সমার্থক নয়_বাংলাদেশ ব্যাংক: সহকারী পরিচালক (সাধারণ) (২০১৮)
- ‘নদী ও নারী’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?৩৮তম বিসিএস (২০১৭)
- 'নদী'-র সমার্থক শব্দ কোনটি?৪৬তম বিসিএস (২০২৪)
- 'দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থের রচয়িতা কে?সমন্বিত ৫ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: অফিসার (ক্যাশ) (২০১৯)
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-এর সব প্রশ্ন › · জনতা ব্যাংক: অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার (২০১৭)-এর পুরো প্রশ্নপত্র ›