বাংলা ভাষা ও সাহিত্যবাংলাদেশ ব্যাংক: অফিসার (সাধারণ) (২০১৮)

খোশমেজাজ যে ধরনের সমাসের উদাহরণ -

সঠিক উত্তর

খসমানাধিকরণ বহুব্রীহি

ব্যাখ্যা

খোশমেজাজ মানে খুশি মেজাজের মানুষ। এর ব্যাসবাক্য হলো খোশ মেজাজ যার। যার শব্দটি দেখাচ্ছে, অর্থ প্রধান হচ্ছে তৃতীয় এক ব্যক্তির, তাই এটি বহুব্রীহি।

বহুব্রীহির পূর্বপদ বিশেষণ আর পরপদ বিশেষ্য হলে তাকে বলে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি। এখানে খোশ, মানে খুশি, বিশেষণ, আর মেজাজ বিশেষ্য।

দুটি পদই বিশেষ্য হলে হতো ব্যধিকরণ বহুব্রীহি, যেমন আশীবিষ: আশীতে বিষ যার। একই নিয়মের আরও উদাহরণ: নীলকণ্ঠ, পীতাম্বর, হতশ্রী।

খোশমেজাজকে শুধু খুশি মেজাজ ভাবলে কর্মধারয় মনে হয়। কিন্তু শব্দটি মেজাজকে নয়, মেজাজওয়ালা মানুষকে বোঝায়; তাই বহুব্রীহি।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
খোশ+মেজাজ=খোশ মেজাজ যার
বিশেষণ+বিশেষ্য
নীল+কণ্ঠ=নীল কণ্ঠ যার

বিশেষণ ও বিশেষ্য, অর্থ অন্যের: সমানাধিকরণ বহুব্রীহি

  1. ব্যাসবাক্য: খোশ মেজাজ যার।
  2. খোশ বিশেষণ, মেজাজ বিশেষ্য।
  3. বিশেষণ যোগ বিশেষ্য, অর্থ অন্য ব্যক্তির: সমানাধিকরণ বহুব্রীহি।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. সাধারণ কর্মধারয়: কর্মধারয় হলে পরপদের অর্থ প্রধান হতো; খোশমেজাজ মেজাজ নয়, মানুষকে বোঝায়।

গ. ব্যধিকরণ বহুব্রীহি: ব্যধিকরণ বহুব্রীহিতে দুই পদই বিশেষ্য হয়; এখানে খোশ বিশেষণ।

ঘ. উপপদ তৎপুরুষ: উপপদ তৎপুরুষে পরপদ কৃদন্ত পদ হয়, যেমন জলচর; এখানে তা নেই।

শর্টকাট

যার আছে আর পূর্বপদ বিশেষণ হলে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি: নীলকণ্ঠ, পীতাম্বর, খোশমেজাজ।

মনে রাখুন

খোশ মেজাজ যার, সে বহুব্রীহির সমান অধিকারী।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: এ রকম আরও প্রশ্ন

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-এর সব প্রশ্ন › · বাংলাদেশ ব্যাংক: অফিসার (সাধারণ) (২০১৮)-এর পুরো প্রশ্নপত্র ›