‘জজ সাহেব’ কোন সমাসের উদাহরণ?
সঠিক উত্তর
খকর্মধারয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা সমাস চেনার। জজ সাহেব শব্দের ব্যাসবাক্য: যিনি জজ, তিনিই সাহেব। দুটি পদ একই ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে, তাই এটি কর্মধারয় সমাস।
কর্মধারয় সমাসের মূল চিহ্ন: পূর্বপদ আর পরপদ একই ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে, এবং পরপদের অর্থ প্রধান। এখানে প্রধান হলো সাহেব, জজ তার পরিচয়।
একই ছাঁচের উদাহরণ: ডাক্তার সাহেব, পণ্ডিত মশাই, নীলপদ্ম। নীলপদ্মে যা নীল তা-ই পদ্ম; এটা বিশেষণ আর বিশেষ্যের কর্মধারয়।
অন্য সমাসের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। দ্বিগু হলে প্রথমে সংখ্যা থাকত, যেমন ত্রিভুবন। দ্বন্দ্ব হলে দুটি আলাদা জিনিস এবং দিয়ে জুড়ত, যেমন ভাই ও বোন মিলে ভাইবোন। বহুব্রীহি হলে অর্থ চলে যেত তৃতীয় কারও দিকে, যেমন দশানন মানে রাবণ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩দুই পদ একই ব্যক্তি, পরপদ প্রধান: ডাক্তার সাহেব, পণ্ডিত মশাই, নীলপদ্ম
- পদ দুটি আলাদা করি: জজ আর সাহেব।
- ব্যাসবাক্য: যিনি জজ তিনিই সাহেব; দুটি পদ একই ব্যক্তি।
- একই ব্যক্তিকে বোঝানো দুই পদ, পরপদ প্রধান: কর্মধারয়।
ক. দ্বিগু: দ্বিগু সমাসের প্রথম পদ সংখ্যাবাচক হয়, যেমন ত্রিভুবন; জজ কোনো সংখ্যা নয়।
গ. দ্বন্দ্ব: দ্বন্দ্ব সমাসে দুটি আলাদা জিনিস এবং দিয়ে যুক্ত হয়, যেমন ভাইবোন; জজ আর সাহেব এখানে আলাদা দুজন নন।
ঘ. বহুব্রীহি: বহুব্রীহিতে অর্থ তৃতীয় কাউকে বোঝায়, যেমন দশানন মানে রাবণ; জজ সাহেব বলতে জজকেই বোঝায়।
ব্যাসবাক্যে যিনি, তিনি বা যা, তা এলে কর্মধারয়: যিনি জজ তিনি সাহেব, যা নীল তা পদ্ম।
যিনি জজ, তিনিই সাহেব: এক মানুষ, দুই নাম, কর্মধারয়।