চর্যাপদ হলো -
সঠিক উত্তর
খসাধন সংগীত
ব্যাখ্যা
চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যদের লেখা সাধন সংগীত, মানে সাধনার গান।
সিদ্ধাচার্যরা তাঁদের গোপন ধর্মসাধনার তত্ত্ব রূপক আর প্রতীকের মাধ্যমে গানের আকারে লিখেছেন। প্রতিটি পদের শুরুতে রাগের নাম দেওয়া আছে, তাই এগুলো গাওয়ার জন্যই লেখা।
১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন। এর ভাষাকে বলা হয় সন্ধ্যা ভাষা, কারণ এর অর্থ আলো-আঁধারির মতো, পুরো স্পষ্ট নয়।
চর্যাপদে ধর্মের কথা থাকায় অনেকে একগুচ্ছ ধর্মোপদেশ বেছে নেন। কিন্তু এগুলো উপদেশ নয়, সাধনার গান।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| রচয়িতা | বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্য |
| প্রকৃতি | সাধন সংগীত |
| ভাষা | সন্ধ্যা ভাষা |
| আবিষ্কার | ১৯০৭, নেপাল, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী |
- রচয়িতা: বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যরা।
- রূপ: রাগ-উল্লেখসহ গান, তাই সাধন সংগীত।
- ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে আবিষ্কার, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
ক. একগুচ্ছ ধর্মোপদেশ: চর্যাপদ ধর্মতত্ত্ব বহন করলেও উপদেশমূলক রচনা নয়, গান।
গ. জীবনাচরণ পদ্ধতি: জীবনাচরণের ইঙ্গিত থাকলেও চর্যাপদ কোনো জীবনাচরণ পদ্ধতির গ্রন্থ নয়।
ঘ. দেবী বন্দনা: দেবী বন্দনা মঙ্গলকাব্যের বৈশিষ্ট্য, চর্যাপদের নয়।
চর্যা মানে আচরণ, পদ মানে গান: সাধকের আচরণের গান।
সিদ্ধাচার্যের সাধনার গান, চর্যাপদের প্রাণ।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: এ রকম আরও প্রশ্ন
- তরজা হলো -বাংলাদেশ ব্যাংক: অফিসার (সাধারণ) (২০১৮)
- আচমন’ এর সমার্থক হলো-প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক: অফিসার (সাধারণ) (২০২১)
- 'ব্রজবুলি' ভাষা হলো-সমন্বিত ৮ ব্যাংক ও ১ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: সিনিয়র অফিসার (২০২৫)
- চর্যাপদ কোন ছন্দে লেখা ?৩৩তম বিসিএস (২০১২)
- ‘চর্যাপদ’ কত সালে আবিষ্কৃত হয়?৩৪তম বিসিএস (২০১৩)
- ‘যাচ্ঞা’ এর ধাতু অংশ হলো-প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক: অফিসার (সাধারণ) (২০২১)
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-এর সব প্রশ্ন › · বাংলাদেশ ব্যাংক: অফিসার (সাধারণ) (২০১৮)-এর পুরো প্রশ্নপত্র ›