আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যজনতা ব্যাংক: অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার (২০১৯)

'ডাক্তার ডাক' বাক্যটিতে 'ডাক্তার' কোন কারকে কোন বিভক্তি?

সঠিক উত্তর

খকর্মে শূন্য

ব্যাখ্যা

কারক চিনতে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করি। ডাক্তার ডাক বাক্যে ক্রিয়া ডাক। কাকে ডাকব? উত্তর আসে ডাক্তারকে। যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, সে কর্ম; তাই ডাক্তার কর্মকারক।

এবার বিভক্তি দেখি। ডাক্তার শব্দের সঙ্গে কোনো কে, রে বা এ লাগানো নেই। বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে বলা হয় শূন্য বিভক্তি। তাই উত্তর কর্মে শূন্য।

কর্মকারকে কে বিভক্তি বসতে পারে, যেমন ডাক্তারকে ডাকো; কিন্তু চলতি কথায় অনেক সময় বিভক্তি বাদ যায়, যেমন বই পড়ি, ভাত খাই, ডাক্তার ডাকো। এগুলো সবই কর্মে শূন্য।

বাক্যের শুরুতে ডাক্তার থাকায় অনেকে একে কর্তা ভাবেন। কিন্তু এখানে কর্তা উহ্য তুমি; ডাকার কাজটা ডাক্তার করছে না, ডাক্তারকে ডাকা হচ্ছে।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
ধাপফলাফল
কাকে ডাকব?ডাক্তারকে → কর্ম
কে ডাকবে?উহ্য তুমি → কর্তা
বিভক্তিকিছু নেই → শূন্য
উত্তরকর্মে শূন্য
  1. ক্রিয়াকে প্রশ্ন করি: কাকে ডাকব? উত্তর: ডাক্তারকে।
  2. তাই ডাক্তার কর্মকারক; কর্তা উহ্য তুমি।
  3. ডাক্তার শব্দে কোনো বিভক্তি নেই: কর্মে শূন্য।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. কর্মে ষষ্ঠী: ডাক্তার শব্দে র বা এর বিভক্তি নেই, তাই ষষ্ঠী নয়।

গ. কর্তায় শূন্য: ডাকার কাজটা ডাক্তার করছে না; কর্তা উহ্য তুমি।

ঘ. সম্বন্ধে ষষ্ঠী: সম্বন্ধ পদ ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকে না, আর এখানে র বা এর বিভক্তিও নেই।

শর্টকাট

আদেশবাচক বাক্যে কর্তা সাধারণত উহ্য তুমি থাকে; তাই শুরুর বিশেষ্যটা প্রায়ই কর্ম। বই পড়ো, ভাত খাও, ডাক্তার ডাকো: সবই কর্মে শূন্য।

মনে রাখুন

কাকে ডাকো? ডাক্তারকে: কর্ম, আর গায়ে বিভক্তি নেই: শূন্য।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য: এ রকম আরও প্রশ্ন

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-এর সব প্রশ্ন › · জনতা ব্যাংক: অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার (২০১৯)-এর পুরো প্রশ্নপত্র ›