ডাক ও খনার বচনের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো -
সঠিক উত্তর
ঘভণিতার উপস্থিতি
ব্যাখ্যা
ডাক ও খনার বচন বাংলা লোকসাহিত্যের প্রাচীন ধারা। এগুলো ছোট ছড়ার মতো উক্তি, যাতে কৃষি, আবহাওয়া, জ্যোতিষ আর দৈনন্দিন জীবনের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান রয়েছে।
এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য ভণিতা, অর্থাৎ রচয়িতার নাম যুক্ত করা। বচনের শেষে প্রায়ই থাকে কহে ডাক বা বলে খনা, এভাবে বক্তার নাম জানিয়ে দেওয়া হয়। মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও পদাবলিতেও ভণিতার রীতি দেখা যায়।
খনার একটি পরিচিত বচন: যদি বর্ষে মাঘের শেষ, ধন্য রাজার পুণ্য দেশ। বচনগুলো সরল ছন্দে লেখা, তবে ছন্দের বৈচিত্র্য বা হাস্যরস এদের মূল বৈশিষ্ট্য নয়, আর বিদেশি শব্দও প্রায় নেই।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বৈশিষ্ট্য | ডাক ও খনার বচনে |
|---|---|
| বিষয় | কৃষি, আবহাওয়া, জীবনজ্ঞান |
| ভণিতা | কহে ডাক, বলে খনা |
| ছন্দ | সরল, বৈচিত্র্য কম |
| বিদেশি শব্দ | প্রায় নেই |
- ডাক ও খনার বচন: কৃষি ও জীবনের অভিজ্ঞতার ছড়া।
- বচনের শেষে বক্তার নাম থাকে: ‘কহে ডাক’, ‘বলে খনা’।
- রচনায় নিজের নাম যুক্ত করাই ভণিতা।
ক. ছন্দ-বৈচিত্র্য: বচনগুলো সরল ছন্দের; ছন্দ-বৈচিত্র্য এদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য নয়।
খ. হাস্যরস: বচন মূলত উপদেশ ও অভিজ্ঞতার কথা, হাস্যরস প্রধান নয়।
গ. বিদেশী শব্দের আধিক্য: প্রাচীন লোকজ রচনা বলে বিদেশি শব্দ প্রায় নেই।
রচয়িতার নাম রচনার ভেতরে থাকলে তাকে ভণিতা বলে; ডাক-খনা, চর্যাপদ, মঙ্গলকাব্য সবখানেই আছে।
‘বলে খনা’: নিজের নামই খনার ভণিতা।