নিচের যে গুচ্ছে কোনো অপপ্রয়োগ ঘটেনি-
সঠিক উত্তর
ঘভাষী ও সবান্ধব
ব্যাখ্যা
অপপ্রয়োগ মানে শব্দের ভুল ব্যবহার। এর দুটি সাধারণ রূপ: ভুল শব্দগঠন, আর বাহুল্য দোষ, অর্থাৎ একই অর্থের শব্দ দুবার ব্যবহার।
অধীন শব্দটি ঠিক, কিন্তু অজ্ঞানতা ভুল; শুদ্ধ রূপ অজ্ঞতা বা অজ্ঞান। তনু মানেই দেহ, তাই তনুদেহ বাহুল্য; পান্তা মানেই পানিতে ভেজানো ভাত, তাই পান্তাভাতও বাহুল্য।
সমসাময়িক মানেই একই কালের, তাই সমসাময়িক কালে বাহুল্য। আর বার্ষিক বিশেষণ, বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠান বোঝাতে শুদ্ধ রূপ জন্মবার্ষিকী।
শেষ গুচ্ছের ভাষী, যেমন বাংলাভাষী, এবং সবান্ধব, অর্থাৎ বন্ধুসহ, দুটিই শুদ্ধ। তাই এই গুচ্ছে কোনো অপপ্রয়োগ নেই। পান্তাভাত মুখের ভাষায় এত চলে যে অনেকে একে শুদ্ধ ভাবেন, এটাই ফাঁদ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| ভুল প্রয়োগ | শুদ্ধ রূপ | কারণ |
|---|---|---|
| অজ্ঞানতা | অজ্ঞতা / অজ্ঞান | ভুল শব্দগঠন |
| তনুদেহ, পান্তাভাত | তনু / দেহ, পান্তা | বাহুল্য দোষ |
| সমসাময়িক কালে | সমসাময়িক | বাহুল্য দোষ |
| জন্মবার্ষিক | জন্মবার্ষিকী | ভুল শব্দ |
| ভাষী, সবান্ধব | শুদ্ধ | অপপ্রয়োগ নেই |
- প্রথম গুচ্ছ: অজ্ঞানতা ভুল, শুদ্ধ অজ্ঞতা।
- দ্বিতীয় গুচ্ছ: তনুদেহ ও পান্তাভাত দুটোই বাহুল্য।
- তৃতীয় গুচ্ছ: সমসাময়িক কালে বাহুল্য, জন্মবার্ষিক ভুল।
- চতুর্থ গুচ্ছ: ভাষী ও সবান্ধব দুটোই শুদ্ধ।
ক. অধীন, অজ্ঞানতা: অজ্ঞানতা ভুল; শুদ্ধ রূপ অজ্ঞতা।
খ. তনুদেহ, পান্তাভাত: তনুদেহ আর পান্তাভাত দুটোই বাহুল্য দোষে দুষ্ট।
গ. সমসাময়িক কালে, জন্মবার্ষিক: সমসাময়িক কালে বাহুল্য, জন্মবার্ষিক এর শুদ্ধ রূপ জন্মবার্ষিকী।
দুই শব্দের একটি অন্যটির অর্থ ধারণ করলে বাহুল্য: তনুদেহ, সমসাময়িক কালে, অশ্রুজল।
এক অর্থ দুবার বললে বাহুল্য, শব্দ বেশি মানে ভুল বেশি।