‘চতুরঙ্গ’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ধরনের গ্রন্থ?
সঠিক উত্তর
খউপন্যাস
ব্যাখ্যা
চতুরঙ্গ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি উপন্যাস, প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে। প্রথমে এটি প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়েছিল।
নামের চতুরঙ্গ মানে চার অংশ। উপন্যাসটি চারটি পর্বে ভাগ করা: জ্যাঠামশাই, শচীশ, দামিনী ও শ্রীবিলাস। প্রতিটি পর্ব একেকটি চরিত্রকে কেন্দ্র করে, আর পুরো কাহিনি বর্ণনা করে শ্রীবিলাস।
রবীন্দ্রনাথের অন্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো চোখের বালি, গোরা, ঘরে বাইরে, শেষের কবিতা ও যোগাযোগ। নাম শুনে নাটক মনে হতে পারে, কারণ চতুরঙ্গ শব্দটা দাবা খেলা বা প্রাচীন চতুরঙ্গ সেনাবাহিনীকেও বোঝায়; কিন্তু এটি নাটক নয়, উপন্যাস।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| রবীন্দ্রনাথের গ্রন্থ | ধরন |
|---|---|
| চতুরঙ্গ (১৯১৬) | উপন্যাস |
| চোখের বালি, গোরা, ঘরে বাইরে | উপন্যাস |
| শেষের কবিতা, যোগাযোগ | উপন্যাস |
| রক্তকরবী, ডাকঘর | নাটক |
- চতুরঙ্গ: রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস, ১৯১৬।
- চার পর্ব: জ্যাঠামশাই, শচীশ, দামিনী, শ্রীবিলাস।
- অন্য উপন্যাস: চোখের বালি, গোরা, ঘরে বাইরে, শেষের কবিতা।
ক. নাটক: রবীন্দ্রনাথের নাটক হলো রক্তকরবী, ডাকঘর, বিসর্জন; চতুরঙ্গ নয়।
গ. প্রবন্ধ: রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধগ্রন্থ যেমন কালান্তর, সভ্যতার সংকট; চতুরঙ্গ গদ্য কাহিনি।
ঘ. কাব্য: রবীন্দ্রনাথের কাব্য যেমন সোনার তরী, গীতাঞ্জলি, বলাকা; চতুরঙ্গ কাব্য নয়।
চার অঙ্গ বা চার পর্বের উপন্যাস: চতুরঙ্গ। পর্বের নামগুলো চরিত্রের নাম, এটা মনে রাখলে নাটক বলে ভুল হবে না।
চার চরিত্র, চার পর্ব, এক উপন্যাস: চতুরঙ্গ।