মূলত কিসের মাধ্যমে ধ্বনি উৎপন্ন হয়?
সঠিক উত্তর
কশ্বাস ত্যাগ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা ধ্বনি উৎপাদনের প্রক্রিয়া নিয়ে। ফুসফুস থেকে বের হওয়া বাতাস, অর্থাৎ শ্বাস ত্যাগের সময়, বাগ্যন্ত্রের নানা জায়গায় বাধা পেয়ে ধ্বনি তৈরি হয়।
বাতাস কণ্ঠনালি, মুখগহ্বর, জিহ্বা, দাঁত, ঠোঁট বা নাকের কোথাও বাধা পায়। কোথায় ও কতটা বাধা পেল, তার উপর নির্ভর করে কোন ধ্বনি তৈরি হবে। স্বরধ্বনিতে বাধা প্রায় থাকে না, ব্যঞ্জনধ্বনিতে বাধা থাকে।
এই বাতাস বেরোনোর প্রক্রিয়াই শ্বাস ত্যাগ। শ্বাস নেওয়ার সময় আমরা সাধারণত কথা বলি না।
ফাঁদ হলো চিৎকার বা গান গাওয়া: এগুলো ধ্বনি ব্যবহারের উদাহরণ, ধ্বনি তৈরির মূল প্রক্রিয়া নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ফুসফুস থেকে বাতাস বের হয়: শ্বাস ত্যাগ।
- বাতাস বাগ্যন্ত্রের কোথাও বাধা পায়।
- বাধার জায়গা ও ধরন অনুযায়ী আলাদা ধ্বনি তৈরি হয়।
খ. শ্বাস গ্রহণ: শ্বাস গ্রহণের সময় বাতাস ভেতরে যায়; সাধারণত তখন ধ্বনি তৈরি হয় না।
গ. চিৎকার করা: চিৎকার ধ্বনির একটি ব্যবহার, উৎপাদনের মূল প্রক্রিয়া নয়।
ঘ. গান গাওয়া: গান গাওয়াও ধ্বনির ব্যবহার; ধ্বনি তৈরি হয় শ্বাস ত্যাগেই।
ধ্বনি উৎপাদনের প্রশ্নে মূল শব্দ: ফুসফুস-তাড়িত বাতাস, অর্থাৎ শ্বাস ত্যাগ।
বাতাস বের হয়, তবেই কথা বের হয়।