আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যজনতা ব্যাংক: অফিসার (রুরাল ক্রেডিট) (২০২৩)

মূলত কিসের মাধ্যমে ধ্বনি উৎপন্ন হয়?

সঠিক উত্তর

কশ্বাস ত্যাগ

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটা ধ্বনি উৎপাদনের প্রক্রিয়া নিয়ে। ফুসফুস থেকে বের হওয়া বাতাস, অর্থাৎ শ্বাস ত্যাগের সময়, বাগ্‌যন্ত্রের নানা জায়গায় বাধা পেয়ে ধ্বনি তৈরি হয়।

বাতাস কণ্ঠনালি, মুখগহ্বর, জিহ্বা, দাঁত, ঠোঁট বা নাকের কোথাও বাধা পায়। কোথায় ও কতটা বাধা পেল, তার উপর নির্ভর করে কোন ধ্বনি তৈরি হবে। স্বরধ্বনিতে বাধা প্রায় থাকে না, ব্যঞ্জনধ্বনিতে বাধা থাকে।

এই বাতাস বেরোনোর প্রক্রিয়াই শ্বাস ত্যাগ। শ্বাস নেওয়ার সময় আমরা সাধারণত কথা বলি না।

ফাঁদ হলো চিৎকার বা গান গাওয়া: এগুলো ধ্বনি ব্যবহারের উদাহরণ, ধ্বনি তৈরির মূল প্রক্রিয়া নয়।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
ফুসফুসশ্বাস ত্যাগে বাতাস বের হয়
কণ্ঠনালি ও স্বরতন্ত্রীবাতাস কাঁপে বা বাধা পায়
মুখগহ্বর, জিহ্বা, দাঁত, ঠোঁট, নাকবাধার জায়গায় ধ্বনির রূপ ঠিক হয়
  1. ফুসফুস থেকে বাতাস বের হয়: শ্বাস ত্যাগ।
  2. বাতাস বাগ্‌যন্ত্রের কোথাও বাধা পায়।
  3. বাধার জায়গা ও ধরন অনুযায়ী আলাদা ধ্বনি তৈরি হয়।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

খ. শ্বাস গ্রহণ: শ্বাস গ্রহণের সময় বাতাস ভেতরে যায়; সাধারণত তখন ধ্বনি তৈরি হয় না।

গ. চিৎকার করা: চিৎকার ধ্বনির একটি ব্যবহার, উৎপাদনের মূল প্রক্রিয়া নয়।

ঘ. গান গাওয়া: গান গাওয়াও ধ্বনির ব্যবহার; ধ্বনি তৈরি হয় শ্বাস ত্যাগেই।

শর্টকাট

ধ্বনি উৎপাদনের প্রশ্নে মূল শব্দ: ফুসফুস-তাড়িত বাতাস, অর্থাৎ শ্বাস ত্যাগ।

মনে রাখুন

বাতাস বের হয়, তবেই কথা বের হয়।