বাংলা সাহিত্যে আবু সায়ীদ আয়ুবের অবদানের প্রধান ক্ষেত্র কোনটি?
সঠিক উত্তর
ঘপ্রবন্ধ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা আবু সয়ীদ আইয়ুবের সাহিত্যক্ষেত্র নিয়ে। তিনি মূলত প্রবন্ধকার ও দার্শনিক সমালোচক; বিশেষ করে রবীন্দ্রসাহিত্য নিয়ে তাঁর মননশীল প্রবন্ধের জন্য খ্যাত।
তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ আধুনিকতা ও রবীন্দ্রনাথ এবং পান্থজনের সখা। হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে মিলে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতা নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ কবিতা সংকলনও সম্পাদনা করেন।
তাঁর জন্ম ১৯০৬ সালে কলকাতায়। মূলত দর্শনের মানুষ হওয়ায় তাঁর লেখায় সাহিত্য, নন্দনতত্ত্ব ও দর্শন মিশে আছে; আধুনিকতা ও রবীন্দ্রনাথ প্রকাশিত হয় ১৯৬৮ সালে, পান্থজনের সখা ১৯৭৩ সালে।
ফাঁদ হলো কথাসাহিত্য ও উপন্যাস: তিনি গল্প-উপন্যাস লেখেননি। উপন্যাস নিজেও কথাসাহিত্যের অংশ, তাই এ দুটি বিকল্প আসলে একই দিকের।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| লেখক | প্রধান ক্ষেত্র | বিখ্যাত বই |
|---|---|---|
| আবু সয়ীদ আইয়ুব | প্রবন্ধ | আধুনিকতা ও রবীন্দ্রনাথ |
| আবু সয়ীদ আইয়ুব | প্রবন্ধ | পান্থজনের সখা |
| আবু সয়ীদ আইয়ুব ও হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় | সম্পাদনা | আধুনিক বাংলা কবিতা |
- আবু সয়ীদ আইয়ুব: দার্শনিক ও সমালোচক।
- প্রধান কাজ: আধুনিকতা ও রবীন্দ্রনাথ, পান্থজনের সখা।
- তাই তাঁর প্রধান ক্ষেত্র প্রবন্ধ।
ক. কথা সাহিত্য: কথাসাহিত্য মানে গল্প-উপন্যাস; আইয়ুব এ ক্ষেত্রে পরিচিত নন।
খ. উপন্যাস: উপন্যাস তিনি লেখেননি।
গ. নাটক: নাটকও তাঁর ক্ষেত্র নয়।
রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে দার্শনিক আলোচনা মানেই আবু সয়ীদ আইয়ুব, প্রবন্ধ।
আইয়ুব আলোচনা করেন, গল্প বলেন না।