কোথায় থাকা হয়? এটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
সঠিক উত্তর
খভাববাচ্যের
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা বাচ্য নির্ণয় নিয়ে। “কোথায় থাকা হয়” বাক্যে কোনো কর্তা নেই, কর্মও নেই; প্রধান হয়ে উঠেছে ক্রিয়ার ভাব, অর্থাৎ থাকার কাজটি। এমন বাক্যকে ভাববাচ্য বলে।
ভাববাচ্যের চিহ্ন: ক্রিয়া বিশেষ্যের মতো রূপ নেয়, যেমন থাকা, যাওয়া, খাওয়া, আর সঙ্গে হয়, যায়, চলে ধরনের ক্রিয়া বসে। যেমন: এখন যাওয়া যাক, তোমার কী খাওয়া হলো।
কর্তৃবাচ্যে হলে বলতে হতো: আপনি কোথায় থাকেন। কর্মবাচ্যে কর্ম প্রধান থাকে, যেমন চোর ধরা পড়েছে। কর্মকর্তৃবাচ্যে কর্মই কর্তার মতো কাজ করে, যেমন বাঁশি বাজে।
ফাঁদ হলো কর্মবাচ্য: “হয়” দেখে অনেকে কর্মবাচ্য ভাবেন। কিন্তু কর্মবাচ্যে একটি কর্ম থাকে, যেমন “চিঠি লেখা হয়েছে” বাক্যে চিঠি; এখানে কোনো কর্মই নেই।
এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- বাক্যে কর্তা নেই, কর্মও নেই।
- প্রধান হলো ক্রিয়ার ভাব: থাকা + হয়।
- তাই এটি ভাববাচ্য।
ক. কর্মবাচ্যের: কর্মবাচ্যে একটি কর্ম প্রধান থাকে, যেমন চিঠি লেখা হয়েছে; এখানে কর্ম নেই।
গ. কর্তৃবাচ্যের: কর্তৃবাচ্যে কর্তা প্রধান: আপনি কোথায় থাকেন।
ঘ. কর্তৃকর্মবাচ্যের: এখানে বোঝানো হয়েছে কর্মকর্তৃবাচ্য (প্রচলিত নাম), যেখানে কর্মই কর্তার মতো কাজ করে, যেমন বাঁশি বাজে; এখানে তেমন কিছু নেই।
ক্রিয়ার বিশেষ্য রূপ (থাকা, যাওয়া, খাওয়া) + হয়/যায়, আর কর্ম নেই: ভাববাচ্য।
কাজের ভাবই নায়ক, তাই ভাববাচ্য।