বাংলা গদ্য কোন যুগের ভাষার নিদর্শন?
সঠিক উত্তর
ঘআধুনিক যুগের
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ নিয়ে। বাংলা গদ্যের বিকাশ ঘটে আধুনিক যুগে, মোটামুটি ১৮০০ সালের পর। তাই বাংলা গদ্য আধুনিক যুগের নিদর্শন।
প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ, যা পদ বা গান। মধ্যযুগের সাহিত্য, যেমন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলি, প্রায় সবই পদ্যে লেখা।
১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর সেখানে পাঠ্যবই লেখার প্রয়োজনে বাংলা গদ্যের চর্চা শুরু হয়। পরে বিদ্যাসাগর গদ্যে যতিচিহ্ন বসিয়ে শৃঙ্খলা আনেন, তাই তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
ফাঁদ হলো মধ্যযুগ: মধ্যযুগের কিছু চিঠিপত্র ও দলিলে গদ্যের নমুনা পাওয়া যায়, কিন্তু সাহিত্যিক গদ্যের প্রতিষ্ঠা আধুনিক যুগে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ৬৫০-১২০০প্রাচীন যুগ: চর্যাপদ
- ১২০১-১৮০০মধ্যযুগ: পদ্যে মঙ্গলকাব্য, পদাবলি
- ১৮০১ থেকেআধুনিক যুগ: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ, বাংলা গদ্য
- প্রাচীন যুগ: চর্যাপদ, গানের ভাষা।
- মধ্যযুগ: মঙ্গলকাব্য, পদাবলি, সব পদ্যে।
- ১৮০০ সালের পর ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে গদ্যচর্চা: আধুনিক যুগ।
ক. প্রাচীন যুগের: প্রাচীন যুগের নিদর্শন চর্যাপদ, যা পদ বা গান।
খ. মধ্য যুগের: মধ্যযুগের সাহিত্য প্রায় সবই পদ্যে; গদ্য সাহিত্য তখন গড়ে ওঠেনি।
গ. আদি যুগের: আদি যুগ প্রাচীন যুগেরই আরেক নাম; তখনও গদ্য ছিল না।
গদ্য, ছাপাখানা, সংবাদপত্র, উপন্যাস, নাটক: এগুলো সবই আধুনিক যুগের দান।
পুরনো যুগে গান, নতুন যুগে গদ্য।