‘জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি’ সহ্য করতে পারতেন না-
সঠিক উত্তর
গপ্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
প্রমথ চৌধুরী ছিলেন স্পষ্টভাষী, বুদ্ধিদীপ্ত আর বাহুল্যবিরোধী গদ্যশিল্পী। ভারী পাণ্ডিত্যের ভান আর সাহিত্যে আবেগের ন্যাকামি, দুটোই তাঁর অপছন্দ ছিল; সে কারণেই তাঁর সম্পর্কে এই কথা বলা হয়।
তিনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক, বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রধান প্রবর্তক, আর তাঁর ছদ্মনাম বীরবল। তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধ বইপড়া আর প্রবন্ধসংগ্রহ।
নামের মিলে সবচেয়ে বড় ফাঁদ প্রমথনাথ বিশী। তিনি কেরী সাহেবের মুন্সী উপন্যাসের লেখক, ভিন্ন মানুষ।
বঙ্কিমচন্দ্র সাহিত্যসম্রাট, বঙ্গদর্শনের সম্পাদক। সৈয়দ মুজতবা আলী রম্যরচনার জন্য বিখ্যাত, দেশে বিদেশের লেখক।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| লেখক | পরিচয় |
|---|---|
| বঙ্কিমচন্দ্র | সাহিত্যসম্রাট, বঙ্গদর্শন |
| সৈয়দ মুজতবা আলী | রম্যরচনা, দেশে বিদেশে |
| প্রমথ চৌধুরী | সবুজপত্র, ছদ্মনাম বীরবল |
| প্রমথনাথ বিশী | কেরী সাহেবের মুন্সী |
- উক্তিটি বাহুল্য আর ন্যাকামির বিরোধী এক লেখকের।
- প্রমথ চৌধুরী: সবুজপত্র, বীরবল, চলিত গদ্য।
- প্রমথনাথ বিশী আলাদা মানুষ: নামের মিলটা ফাঁদ।
ক. বঙ্কিমচন্দ্র: বঙ্কিমচন্দ্র সাধু রীতির গদ্যশিল্পী ও বঙ্গদর্শনের সম্পাদক; উক্তিটি তাঁর সম্পর্কে নয়।
খ. সৈয়দ মুজতবা আলী: সৈয়দ মুজতবা আলী রম্যলেখক; উক্তিটি তাঁর সম্পর্কে প্রচলিত নয়।
ঘ. প্রমথনাথ বিশী: প্রমথনাথ বিশী কেরী সাহেবের মুন্সীর লেখক; প্রমথ নামের মিলই ফাঁদ।
প্রমথ চৌধুরী মানেই সবুজপত্র, বীরবল আর চলিত রীতি।
বীরবল ন্যাকামি সইতেন না।