‘এ মাটি সোনার বাড়া’ – এ উদ্ধৃতিতে ‘সোনা’ কোন অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর
কবিশেষণের অতিশায়ন
ব্যাখ্যা
সোনার বাড়া মানে সোনার চেয়েও বেশি, সোনাকেও ছাড়িয়ে যায় এমন। এখানে সোনা কোনো উপাদান নয়, তুলনার মাপকাঠি; মাটির গুণকে সোনার চেয়েও উৎকৃষ্ট বলে বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে।
একের সঙ্গে অন্যের তুলনা করে উৎকর্ষ বা অপকর্ষ বোঝালে তাকে বলে বিশেষণের অতিশায়ন। চেয়ে, অপেক্ষা, তর, তম, বাড়া এ ধরনের শব্দ অতিশায়ন বোঝায়।
ফাঁদ হলো উপাদানবাচক বিশেষণ। সোনার আংটি বললে সোনা উপাদান, কারণ আংটিটা সোনা দিয়ে তৈরি। কিন্তু মাটি সোনা দিয়ে তৈরি নয়।
লাল ফুলের লাল রূপবাচক বিশেষণ, আর লোকটা অন্ধ বাক্যে অন্ধ বিধেয় বিশেষণ, কারণ তা বিশেষ্যের পরে বাক্যের বিধেয় অংশে বসে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| উদাহরণ | বিশেষণের ধরন |
|---|---|
| সোনার আংটি | উপাদানবাচক |
| লাল ফুল | রূপবাচক |
| লোকটা অন্ধ | বিধেয় বিশেষণ |
| এ মাটি সোনার বাড়া | বিশেষণের অতিশায়ন |
- সোনার আংটি: সোনা উপাদান, উপাদানবাচক।
- লাল ফুল: রং বা রূপ বোঝায়, রূপবাচক।
- লোকটা অন্ধ: বিধেয় অংশে বসে, বিধেয় বিশেষণ।
- মাটি সোনার বাড়া: সোনাকেও ছাড়িয়ে, অতিশায়ন।
খ. রূপবাচক বিশেষণ: রূপবাচক বিশেষণ রং বা আকার বোঝায়, যেমন লাল ফুল; এখানে রং নয়, উৎকর্ষ বোঝানো হয়েছে।
গ. উপাদান বাচক বিশেষণ: উপাদানবাচক হতো যদি মাটি সোনা দিয়ে তৈরি হতো, যেমন সোনার আংটি; এটাই ফাঁদ।
ঘ. বিধেয় বিশেষণ: বিধেয় বিশেষণ বাক্যের বিধেয় অংশে বসে, যেমন লোকটা অন্ধ; এখানে তুলনা করে উৎকর্ষ বোঝানো হয়েছে।
তুলনা করে বেশি বা কম বোঝালেই অতিশায়ন: চেয়ে, অপেক্ষা, তর, তম, বাড়া।
সোনা দিয়ে গড়লে উপাদান, সোনাকে ছাড়ালে অতিশায়ন।