‘কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ?’ কার লেখা?
সঠিক উত্তর
ককৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ চরণটি কার লেখা। উত্তর কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার; চরণটি তাঁর নীতিকবিতার বই সদ্ভাব শতক থেকে।
পুরো ভাবটা হলো: হে পথিক, দীর্ঘ পথ দেখে কেন থেমে যাচ্ছ? চেষ্টা ছাড়া কার মনের ইচ্ছা পূর্ণ হয়? পরের চরণ উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ। পান্থ মানে পথিক, ক্ষান্ত মানে বিরত, হেরি মানে দেখে।
নীতিকবিতার বিখ্যাত চরণগুলো জোড়ায় মনে রাখুন। পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি লিখেছেন কামিনী রায়। কতরূপ স্নেহ করি দেশের কুকুর ধরি লিখেছেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই লিখেছেন যতীন্দ্রমোহন বাগচী।
ফাঁদ হলো কামিনী রায় বিকল্পটি, কারণ তাঁর কবিতাও উপদেশমূলক ও পরিশ্রমের কথা বলে। কিন্তু পান্থ আর মনোরথের চরণটি কৃষ্ণচন্দ্রের।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| কবি | বিখ্যাত চরণ |
|---|---|
| কামিনী রায় | পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি |
| ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত | কতরূপ স্নেহ করি দেশের কুকুর ধরি |
| যতীন্দ্রমোহন বাগচী | বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই |
| কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার | কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ (সদ্ভাব শতক) |
- কামিনী রায়: পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত: কতরূপ স্নেহ করি দেশের কুকুর ধরি।
- যতীন্দ্রমোহন বাগচী: বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই।
- কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার: কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ।
খ. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের বিখ্যাত চরণ কতরূপ স্নেহ করি দেশের কুকুর ধরি; এটি নয়।
গ. কামিনী রায়: কামিনী রায়ের বিখ্যাত চরণ পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি; এটি নয়।
ঘ. যতীন্দ্রমোহন বাগচী: যতীন্দ্রমোহন বাগচী কাজলা দিদির কবি; এই নীতিচরণ তাঁর নয়।
পান্থ আর মনোরথ মানে কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের সদ্ভাব শতক।
পথিক থেমো না, বলছেন কৃষ্ণচন্দ্র।