কোন বানানটি শুদ্ধ?
সঠিক উত্তর
খপিপীলিকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা একটি তৎসম শব্দের ই-কার আর ঈ-কারের অবস্থান যাচাই করছে। পিপীলিকা মানে পিঁপড়া। তৎসম শব্দে মূল সংস্কৃত বানান অপরিবর্তিত থাকে, তাই এখানে শব্দটির গঠন মনে রাখতে হয়।
শব্দটিতে তিনটি ই ধ্বনি: পি, পী, লি। এর মধ্যে মাঝেরটি, অর্থাৎ দ্বিতীয় পী, দীর্ঘ ঈ-কার; প্রথম পি আর লি হ্রস্ব ই-কার।
সহজ কৌশল: দীর্ঘ ঈ-কার মাঝখানে, দুপাশে হ্রস্ব। ছোট পি, বড় পী, ছোট লি, তারপর কা।
সবচেয়ে বেশি ভুল হয় সব ই-কার হ্রস্ব লিখে, অর্থাৎ পিপিলিকা। চলিত পিঁপড়া শব্দে হ্রস্ব ই-কার দেখে এই ভুলটা হয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বানান | অবস্থা | কোথায় ভুল |
|---|---|---|
| পিপিলিকা | ভুল | মাঝের পী-তে ঈ-কার নেই |
| পীপিলিকা | ভুল | দীর্ঘ ঈ-কার প্রথম অক্ষরে |
| পিপিলীকা | ভুল | দীর্ঘ ঈ-কার লী-তে |
| পিপীলিকা | শুদ্ধ | পি হ্রস্ব, পী দীর্ঘ, লি হ্রস্ব |
- সব হ্রস্ব লিখলে পিপিলিকা: পী-তে দীর্ঘ ঈ-কার বাদ পড়ে, তাই ভুল।
- দীর্ঘ ঈ-কার প্রথম পি-তে বা লি-তে বসালেও ভুল।
- শুদ্ধ: পি হ্রস্ব, পী দীর্ঘ, লি হ্রস্ব; পিপীলিকা।
ক. পিপিলিকা: তিনটিই হ্রস্ব ই-কার; মাঝের পী-তে দীর্ঘ ঈ-কার বাদ পড়েছে।
গ. পীপিলিকা: দীর্ঘ ঈ-কার প্রথম অক্ষরে চলে গেছে আর মাঝেরটি হ্রস্ব হয়েছে; উল্টো।
ঘ. পিপিলীকা: দীর্ঘ ঈ-কার লী-তে বসানো হয়েছে; বসার কথা মাঝের পী-তে।
ছোট বড় ছোট: পি পী লি।
পিঁপড়ার কোমর মাঝখানে: মাঝের পী-তে দীর্ঘ ঈ-কার।