আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য৩৩তম বিসিএস (২০১২)

গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ সম্পাদনা করেছেন-

সঠিক উত্তর

গডব্লিউ. বি. ইয়েটস

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটা রবীন্দ্রনাথের ইংরেজি গীতাঞ্জলির প্রকাশের ইতিহাস নিয়ে। ১৯১২ সালে লন্ডনে ইংরেজি গীতাঞ্জলি প্রকাশিত হয়, পুরো নাম গীতাঞ্জলি সং অফারিংস। এর ভূমিকা লেখেন আইরিশ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটস।

রবীন্দ্রনাথ নিজেই কবিতাগুলো ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন। পাণ্ডুলিপি পড়ে মুগ্ধ ইয়েটস প্রকাশের ব্যবস্থায় সাহায্য করেন এবং ভূমিকা লেখেন; এ কারণেই গাইডে তাঁকে সম্পাদক বলা হয়।

এই বইয়ের জন্যই রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান, প্রথম এশীয় হিসেবে।

ফাঁদ হলো এজরা পাউন্ড। তিনিও তখন লন্ডনে রবীন্দ্রনাথের কবিতার প্রশংসা করেন এবং মার্কিন একটি কবিতা পত্রিকায় কয়েকটি অনুবাদ ছাপাতে উদ্যোগী হন, কিন্তু বইয়ের ভূমিকা ইয়েটসের।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
ব্যক্তিগীতাঞ্জলির সঙ্গে সম্পর্ক
জন কীটসমৃত্যু ১৮২১; সম্পর্কের প্রশ্নই নেই
টি এস এলিয়টপ্রকাশে কোনো ভূমিকা নেই
এজরা পাউন্ডপ্রশংসা, পত্রিকায় কয়েকটি কবিতা প্রকাশ
ডব্লিউ বি ইয়েটসভূমিকা লেখেন, প্রকাশে সহায়তা (১৯১২)
  1. কীটস মারা যান ১৮২১ সালে; এলিয়ট গীতাঞ্জলির প্রকাশে যুক্ত ছিলেন না।
  2. এজরা পাউন্ড কবিতাগুলোর প্রশংসা ও পত্রিকায় প্রকাশে উদ্যোগী ছিলেন, বইয়ের ভূমিকায় নয়।
  3. ইয়েটস ১৯১২ সালের ইংরেজি গীতাঞ্জলির ভূমিকা লেখেন: উত্তর ইয়েটস।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. এজরা পাউন্ড: এজরা পাউন্ড কবিতাগুলোর প্রশংসা করেন ও পত্রিকায় কয়েকটি প্রকাশে সাহায্য করেন, কিন্তু বইয়ের ভূমিকা ও প্রকাশের মূল কাজ ইয়েটসের।

খ. টি.এস.এলিয়ট: টি এস এলিয়টের সঙ্গে ইংরেজি গীতাঞ্জলির প্রকাশের কোনো যোগ নেই।

ঘ. কীটস: কীটস মারা যান ১৮২১ সালে, গীতাঞ্জলির প্রায় নব্বই বছর আগে।

শর্টকাট

গীতাঞ্জলি ইংরেজি ১৯১২, ভূমিকা ইয়েটস, নোবেল ১৯১৩।

মনে রাখুন

ইয়েটসের ভূমিকায় গীতাঞ্জলি পেল নোবেলের ঠিকানা।