নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের অনুপস্থিতি কিসের অন্তরায়?
সঠিক উত্তর
গসুশাসনের
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী গণমাধ্যম না থাকলে কিসের পথে বাধা তৈরি হয়। উত্তর সুশাসন।
গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। স্বাধীন সংবাদমাধ্যম সরকারের কাজের তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেয় এবং দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার আর অনিয়ম প্রকাশ করে। এতে সরকার জবাবদিহি করতে বাধ্য হয় এবং শাসন স্বচ্ছ থাকে।
গণমাধ্যম দুর্বল বা পক্ষপাতদুষ্ট হলে মানুষ সঠিক তথ্য পায় না, অনিয়ম চাপা পড়ে যায়, আর ক্ষমতাসীনরা জবাবদিহির বাইরে চলে যায়। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সুশাসনের মূল উপাদান, তাই এটি সরাসরি সুশাসনের অন্তরায়।
সামাজিক বা মূল্যবোধের অবক্ষয়ের সঙ্গেও গণমাধ্যমের সম্পর্ক আছে, এটাই ফাঁদ। কিন্তু সুশাসনের আলোচনায় নিরপেক্ষ গণমাধ্যমের অভাবকে সাধারণত সুশাসনের অন্তরায়ের তালিকাতেই রাখা হয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| সুশাসনের অন্তরায় | কোন উপাদানে আঘাত করে |
|---|---|
| দুর্নীতি | জবাবদিহিতা, ন্যায়পরায়ণতা |
| স্বজনপ্রীতি | সমতা, দক্ষতা |
| আইনের শাসনের অভাব | আইনের শাসন |
| নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের অভাব | স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা |
- স্বাধীন গণমাধ্যম সরকারের কাজের তথ্য মানুষের কাছে আনে।
- তথ্য প্রকাশ পেলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তৈরি হয়।
- গণমাধ্যম দুর্বল হলে অনিয়ম চাপা পড়ে: তাই এটি সুশাসনের অন্তরায়।
ক. সামাজিক অবক্ষয়ের: সামাজিক অবক্ষয়ের কারণ অনেক, কিন্তু গণমাধ্যমের অভাব সরাসরি আঘাত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায়, অর্থাৎ সুশাসনে।
খ. মূল্যবোধ অবক্ষয়ের: মূল্যবোধের অবক্ষয় পরোক্ষ ফল হতে পারে, সরাসরি অন্তরায় নয়।
ঘ. শিক্ষার গুণগতমানের: শিক্ষার মান নির্ভর করে শিক্ষাব্যবস্থার ওপর; গণমাধ্যমের সঙ্গে এর সম্পর্ক পরোক্ষ।
স্বাধীন গণমাধ্যম, স্বাধীন বিচার বিভাগ বা মত প্রকাশের স্বাধীনতার অভাব দেখলে উত্তর সাধারণত ‘সুশাসনের অন্তরায়’।
চতুর্থ স্তম্ভ ভাঙলে সুশাসনের ঘর নড়ে।