প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন বেলফোর ঘোষণা ১৯১৭-এর মূল প্রতিপাদ্য ছিল,
সঠিক উত্তর
গইহুদিদের জন্য একটি জাতিরাষ্ট্র গঠন
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা ১৯১৭ সালের বেলফোর ঘোষণার মূল কথা জানতে চেয়েছে। এর মূল প্রতিপাদ্য ছিল ফিলিস্তিনে ইহুদি জনগণের জন্য একটি জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠায় ব্রিটেনের সমর্থন।
১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর ব্রিটিশ ইহুদি নেতা লর্ড রথসচাইল্ডকে একটি চিঠিতে এই প্রতিশ্রুতি দেন। তখন ফিলিস্তিন ছিল অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে।
যুদ্ধের পর ফিলিস্তিন ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের অধীনে আসে, আর বেলফোর ঘোষণার কথা সেই ম্যান্ডেটে যুক্ত হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠিত হয়।
ঘোষণায় হুবহু রাষ্ট্র শব্দ ছিল না, ছিল জাতীয় আবাসভূমি; তবু বিকল্পগুলোর মধ্যে ইহুদিদের জাতিরাষ্ট্রের কথাই মূল বক্তব্যের সবচেয়ে কাছে। অটোমান ভূখণ্ড দখলের বিকল্পটি বিভ্রান্তিকর, কারণ অটোমান এলাকা ভাগাভাগির পরিকল্পনা ছিল ১৯১৬ সালের গোপন সাইকস পিকো চুক্তিতে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ১৯১৬সাইকস পিকো: অটোমান ভূখণ্ড ভাগ
- ২ নভেম্বর ১৯১৭বেলফোর ঘোষণা: ইহুদি আবাসভূমি
- ১৯২০জাতিপুঞ্জ গঠন
- ১৯৪৮ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠন
- ১৯১৬ সালের সাইকস পিকো চুক্তি অটোমান ভূখণ্ড ভাগাভাগির পরিকল্পনা।
- ১৯১৭ সালের বেলফোর ঘোষণা: ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জাতীয় আবাসভূমি।
- ১৯২০ সালে জাতিপুঞ্জ আলাদা ঘটনা; ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল গঠিত।
ক. জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি করা: জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাব এসেছিল উইলসনের চৌদ্দ দফা থেকে, ১৯২০ সালে গঠিত; বেলফোর ঘোষণার বিষয় নয়।
খ. অটোমানদের জায়গা দখল করা: অটোমান ভূখণ্ড ভাগাভাগির পরিকল্পনা ছিল ১৯১৬ সালের সাইকস পিকো চুক্তিতে; বেলফোর ঘোষণা শুধু ফিলিস্তিনে ইহুদি আবাসভূমি নিয়ে।
ঘ. জার্মানির বিরুদ্ধে মিত্র শক্তির নতুন কৌশল অবলম্বন: এটি সামরিক কৌশলের দলিল নয়; একটি চিঠি, যাতে ইহুদি আবাসভূমির প্রতি ব্রিটেনের সমর্থন জানানো হয়।
বেলফোর মানেই ইহুদি আবাসভূমি; সাইকস পিকো মানেই অটোমান ভাগ।
বেলফোরের চিঠি, ইহুদি আবাসভূমির ভিত্তি।