‘ডমিনো’ তত্ত্বটি কোন অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য ছিল?
সঠিক উত্তর
গদক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা ডমিনো তত্ত্ব কোন অঞ্চলের জন্য বলা হয়েছিল, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।
১৯৫৪ সালের এপ্রিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার এক সংবাদ সম্মেলনে উদাহরণ দেন: সারি করে রাখা ডমিনোর প্রথমটি পড়লে বাকিগুলোও একে একে পড়ে যায়। তেমনি ইন্দোচীনে একটি দেশ কমিউনিস্টদের হাতে গেলে আশপাশের দেশগুলোও কমিউনিস্ট হয়ে যাবে, এই ছিল আশঙ্কা।
এই যুক্তিতেই যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ভিয়েতনামের পক্ষ নিয়ে ভিয়েতনাম যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
ফাঁদ হলো পূর্ব ইউরোপ: সেখানে দেশগুলো একের পর এক কমিউনিস্ট শাসনে গিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত প্রভাবে আগেই ঘটে গিয়েছিল। ডমিনো তত্ত্ব বলা হয়েছিল এশিয়ার জন্য।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| ডমিনো | আশঙ্কা |
|---|---|
| প্রথম | ইন্দোচীনের ভিয়েতনাম কমিউনিস্টদের হাতে |
| পরের | বার্মা, থাইল্যান্ডের মতো প্রতিবেশী |
| তারপর | পুরো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া |
- প্রথম ডমিনো: ইন্দোচীনের ভিয়েতনাম কমিউনিস্টদের হাতে গেলে।
- পরের ডমিনো: পাশের দেশগুলো, যেমন বার্মা ও থাইল্যান্ড।
- তারপর বাকি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া: তত্ত্বটি এই অঞ্চলের জন্য।
ক. নিকট প্রাচ্য: নিকট প্রাচ্য বা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য মার্কিন নীতি ছিল আলাদা, যেমন ১৯৫৭ সালের আইজেনহাওয়ার ডকট্রিন; ডমিনো তত্ত্ব নয়।
খ. পূর্ব আফ্রিকা: পূর্ব আফ্রিকার সঙ্গে ডমিনো তত্ত্বের সম্পর্ক নেই; তত্ত্বটি ইন্দোচীনকে ঘিরে।
ঘ. পূর্ব ইউরোপ: পূর্ব ইউরোপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আগেই সোভিয়েত প্রভাবে কমিউনিস্ট শাসনে গিয়েছিল; একের পর এক পতনের মিল দেখে এটি বেছে নেওয়াই ফাঁদ।
ডমিনো মানে ভিয়েতনাম যুদ্ধ, অর্থাৎ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।
এক ডমিনো পড়লে সারি পড়ে, ভিয়েতনাম থেকে পুরো অঞ্চল জুড়ে।