বর্তমান বিশ্বের কোন দেশটির সংবিধানকে ‘শান্তি সংবিধান’ বলা হয়?
সঠিক উত্তর
কজাপান
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা কোন দেশের সংবিধানকে শান্তি সংবিধান বলা হয়, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর জাপান।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর মার্কিন দখলদারির সময় জাপানের নতুন সংবিধান তৈরি হয়, যা ১৯৪৭ সালের ৩ মে কার্যকর হয়।
এর নবম অনুচ্ছেদে জাপান যুদ্ধকে রাষ্ট্রের সার্বভৌম অধিকার হিসেবে চিরতরে ত্যাগ করে এবং যুদ্ধের জন্য স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনী না রাখার অঙ্গীকার করে। এ কারণেই একে শান্তি সংবিধান বলা হয়। বাস্তবে জাপান আত্মরক্ষা বাহিনী রেখেছে।
ফাঁদ হলো কোস্টারিকা: দেশটি ১৯৪৮ সালে সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করে এবং ১৯৪৯ সালের সংবিধানে তা লেখে। কিন্তু শান্তি সংবিধান নামটি জাপানের সংবিধানের জন্যই প্রচলিত।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| দেশ | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|
| সুইজারল্যান্ড | স্থায়ী নিরপেক্ষতা |
| কোস্টারিকা | ১৯৪৯ সালের সংবিধানে সেনাবাহিনী বিলুপ্ত |
| জাপান | নবম অনুচ্ছেদে যুদ্ধ ত্যাগ: শান্তি সংবিধান |
- সুইজারল্যান্ড পরিচিত স্থায়ী নিরপেক্ষতার জন্য।
- কোস্টারিকা সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করেছে, তবু নামটি তার নয়।
- জাপানের সংবিধানের নবম অনুচ্ছেদ যুদ্ধ ত্যাগ করে: শান্তি সংবিধান।
খ. পেরু: পেরুর সংবিধানের সঙ্গে শান্তি সংবিধান নামের সম্পর্ক নেই; দেশটির সশস্ত্র বাহিনী আছে।
গ. কোস্টারিকা: কোস্টারিকা সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করেছে বলে বিভ্রান্তি হয়; কিন্তু শান্তি সংবিধান নামটি জাপানের সংবিধানের জন্য প্রচলিত।
ঘ. সুইজারল্যান্ড: সুইজারল্যান্ড স্থায়ী নিরপেক্ষতার জন্য পরিচিত, তবে দেশটির সেনাবাহিনী আছে এবং সংবিধানটি শান্তি সংবিধান নামে পরিচিত নয়।
নবম অনুচ্ছেদ মানেই জাপানের শান্তি সংবিধান।
নবম ধারায় যুদ্ধ মানা, জাপান শান্তির ঠিকানা।