আকৃতি, অবস্থান ও কাজের প্রকৃতিভেদে আবরণী টিস্যু কত ধরনের?
সঠিক উত্তর
খ৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা আবরণী টিস্যুর প্রকারভেদ জানতে চেয়েছে। আবরণী টিস্যু দেহের বাইরের তল ও ভেতরের বিভিন্ন অঙ্গের তল ঢেকে রাখে; এর কোষগুলো ঘন সন্নিবিষ্ট থাকে।
কোষের আকৃতি, অবস্থান ও কাজের ভিত্তিতে আবরণী টিস্যু তিন প্রকার: আঁইশাকার, ঘনাকার ও স্তম্ভাকার।
আঁইশাকার কোষ চ্যাপ্টা, যেমন ফুসফুসের বায়ুথলি ও রক্তনালির ভেতরের আবরণে। ঘনাকার কোষ ঘনকের মতো, যেমন বৃক্কের নালিকায়। স্তম্ভাকার কোষ লম্বা স্তম্ভের মতো, যেমন পাকস্থলী ও অন্ত্রের ভেতরের আবরণে।
পাঠ্যবইয়ে সিলিয়াযুক্ত বা গ্রন্থিময় আবরণীর কথাও আসে, তবে সেগুলো বিশেষায়িত রূপ। প্রশ্নে বলা ভিত্তিতে মূল প্রকার তিনটি, তাই চার বা পাঁচ গোনা ভুল।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| প্রকার | কোষের আকৃতি | উদাহরণ |
|---|---|---|
| আঁইশাকার | চ্যাপ্টা | বায়ুথলি, রক্তনালি |
| ঘনাকার | ঘনকের মতো | বৃক্কের নালিকা |
| স্তম্ভাকার | লম্বা স্তম্ভ | পাকস্থলী, অন্ত্র |
- আঁইশাকার: চ্যাপ্টা কোষ, যেমন রক্তনালির ভেতরের আবরণ।
- ঘনাকার: ঘনকের মতো কোষ, যেমন বৃক্কের নালিকা।
- স্তম্ভাকার: লম্বা কোষ, যেমন অন্ত্রের আবরণ; মোট তিন প্রকার।
ক. ২: ২ বিকল্পটি কম; আকৃতিভেদে আঁইশাকার, ঘনাকার ও স্তম্ভাকার তিনটি প্রকারই আলাদা।
গ. ৪: ৪ বিকল্পটি বেশি; সিলিয়াযুক্ত বা গ্রন্থিময় আবরণী আলাদা মূল প্রকার নয়, বিশেষায়িত রূপ।
ঘ. ৫: ৫ বিকল্পটিও বেশি; এই শ্রেণিবিভাগে মূল প্রকার তিনটি।
আঁইশ, ঘন, স্তম্ভ: আবরণীর তিন রূপ।
চ্যাপ্টা, চৌকো, লম্বা: আবরণী তিনটি।