নিচের কোনটি অশুদ্ধ?
সঠিক উত্তর
গদোষী – নির্দোষী
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি শব্দজোড়ের মধ্যে অশুদ্ধ গঠনটি খুঁজতে বলেছে। দোষী শব্দের বিপরীত নির্দোষ, নির্দোষী নয়।
নির্ উপসর্গ মানে নেই। নির্দোষ মানে যার দোষ নেই, এখানেই অর্থ সম্পূর্ণ। এর সঙ্গে আবার ই প্রত্যয় যোগ করে নির্দোষী বানালে একই ভাব দুবার আসে, তাই এটি অশুদ্ধ।
একই ধরনের অশুদ্ধ শব্দ: নিরপরাধী অশুদ্ধ, শুদ্ধ নিরপরাধ; নির্দোষী অশুদ্ধ, শুদ্ধ নির্দোষ। বাকি জোড়াগুলো ঠিক: অহিংস ও সহিংস, প্রসন্ন ও বিষণ্ন, নিষ্পাপ ও পাপিনী।
বানানটিও খেয়াল রাখুন: শুদ্ধ বিষণ্ন, ষ এর পরে মূর্ধন্য ণ, তারপর দন্ত্য ন। বিষন্ন বা বিষণ্ণ দুটোই ভুল। তবে এ প্রশ্নের লক্ষ্য গঠনের ভুল, আর সেটি নির্দোষী।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| জোড়া | অবস্থা | শুদ্ধ রূপ |
|---|---|---|
| অহিংস ও সহিংস | শুদ্ধ | অহিংস ও সহিংস |
| প্রসন্ন ও বিষণ্ন | শুদ্ধ | বিষণ্ন, ণ ও ন |
| দোষী ও নির্দোষী | অশুদ্ধ | দোষী ও নির্দোষ |
| নিষ্পাপ ও পাপিনী | শুদ্ধ | নিষ্পাপ ও পাপিনী |
- প্রতিটি জোড়ায় দ্বিতীয় শব্দের গঠন যাচাই করি।
- নির্ মানে নেই; নির্দোষ শব্দেই অর্থ পূর্ণ।
- আবার ই যোগে নির্দোষী: বাড়তি প্রত্যয়, তাই অশুদ্ধ।
ক. অহিংস – সহিংস: অহিংস ও সহিংস দুটোই প্রচলিত শুদ্ধ শব্দ; হিংসা থাকা আর না থাকা বোঝায়।
খ. প্রসন্ন – বিষণ্ন: প্রসন্ন ও বিষণ্ন শুদ্ধ জোড়া; বিষণ্ন বানানে মূর্ধন্য ণ আর দন্ত্য ন।
ঘ. নিষ্পাপ – পাপিনী: নিষ্পাপ ও পাপিনী দুটোই শুদ্ধ গঠন; নিঃ যোগে নিষ্পাপ, আর পাপী থেকে স্ত্রীলিঙ্গে পাপিনী।
নির্ বা নিঃ যোগে শব্দ তৈরি হলে শেষে আর ই প্রত্যয় বসে না: নির্দোষ, নিরপরাধ, নিরহংকার।
নির্ এলে ই যায়: নির্দোষ, নির্দোষী নয়।