‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদকের নাম কী?
সঠিক উত্তর
খদীনেশরঞ্জন দাশ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক জানতে চেয়েছে। কল্লোল পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে, আর এর সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ; সঙ্গে ছিলেন গোকুলচন্দ্র নাগ।
কল্লোল ঘিরে একদল তরুণ লেখক রবীন্দ্র প্রভাবের বাইরে নতুন ধারার সাহিত্য শুরু করেন। এই সময়কে বলে কল্লোল যুগ; এ নামে অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের একটি স্মৃতিকথাও আছে।
একই সময়ের আরও দুটি পত্রিকা কল্লোলের সঙ্গী: প্রেমেন্দ্র মিত্রদের কালিকলম আর বুদ্ধদেব বসুর প্রগতি। এর বিপরীতে কল্লোলকে ব্যঙ্গ করত সজনীকান্ত দাসের শনিবারের চিঠি।
ফাঁদ হলো বুদ্ধদেব বসু ও প্রেমেন্দ্র মিত্র। তাঁরা কল্লোলের লেখক ছিলেন, কিন্তু সম্পাদক নন।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| পত্রিকা | সম্পাদক |
|---|---|
| কল্লোল | দীনেশরঞ্জন দাশ |
| কালিকলম | প্রেমেন্দ্র মিত্র ও অন্যরা |
| প্রগতি, কবিতা | বুদ্ধদেব বসু |
| শনিবারের চিঠি | সজনীকান্ত দাস |
- কল্লোল প্রকাশ: ১৯২৩ সাল।
- সম্পাদক দীনেশরঞ্জন দাশ, সঙ্গী গোকুলচন্দ্র নাগ।
- বুদ্ধদেব ও প্রেমেন্দ্র লেখক ছিলেন, সম্পাদক নন; তাঁদের নিজস্ব পত্রিকা আলাদা।
ক. বুদ্ধদেব বসু: বুদ্ধদেব বসু কল্লোলের লেখক ছিলেন; তিনি সম্পাদনা করেন প্রগতি ও কবিতা।
গ. সজনীকান্ত দাস: সজনীকান্ত দাস ছিলেন কল্লোলের বিরোধী পত্রিকা শনিবারের চিঠির সম্পাদক।
ঘ. প্রেমেন্দ্র মিত্র: প্রেমেন্দ্র মিত্র কল্লোলের লেখক; তিনি কালিকলম পত্রিকার সঙ্গে সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন।
কল্লোল, কালিকলম, প্রগতি: তিন পত্রিকা, তিন সম্পাদক; শনিবারের চিঠি এদের বিরোধী।
কল্লোলের ঢেউ তোলেন দীনেশরঞ্জন।