‘বীরবল’ কোন লেখকের ছদ্মনাম?
সঠিক উত্তর
ঘপ্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি একটি ছদ্মনাম চিনতে চেয়েছে। বীরবল প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম।
প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং এর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতি প্রতিষ্ঠা করেন। বীরবলের হালখাতা তাঁর পরিচিত প্রবন্ধগ্রন্থ।
অন্য বিকল্পগুলোর ছদ্মনাম মিলিয়ে রাখুন: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় লিখতেন নীললোহিত, সনাতন পাঠক ও নীল উপাধ্যায় নামে। আবু ইসহাক সূর্য দীঘল বাড়ীর লেখক, আর প্রমথনাথ বিশী কেরী সাহেবের মুন্সীর লেখক।
ফাঁদ হলো প্রমথনাথ বিশী। প্রথম অংশ প্রমথ মিলে যাওয়ায় অনেকে তাঁকে বেছে নেন, কিন্তু বীরবল প্রমথ চৌধুরী।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| ছদ্মনাম | আসল নাম |
|---|---|
| বীরবল | প্রমথ চৌধুরী |
| নীললোহিত | সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় |
| পরশুরাম | রাজশেখর বসু |
| বনফুল | বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় |
- বীরবল ছদ্মনাম, সবুজপত্রের সম্পাদকের।
- সবুজপত্রের সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী, চলিত গদ্যের প্রবর্তক।
- নামের মিল থাকা প্রমথনাথ বিশী আলাদা মানুষ।
ক. আবু ইসহাক: আবু ইসহাক সূর্য দীঘল বাড়ী উপন্যাসের লেখক; বীরবল তাঁর ছদ্মনাম নয়।
খ. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম নীললোহিত, সনাতন পাঠক ও নীল উপাধ্যায়।
গ. প্রমথনাথ বিশী: প্রমথনাথ বিশী কেরী সাহেবের মুন্সীর লেখক; নামের প্রমথ অংশের মিলেই এই ভুল।
বীরবল, সবুজপত্র, চলিত ভাষা: তিনটি একসঙ্গে মনে রাখুন, সবই প্রমথ চৌধুরী।
সবুজপত্রে বীরবলের চলিত চাল।