নবায়নযোগ্য জ্বালানীর উৎস-
সঠিক উত্তর
ঘবায়োগ্যাস
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি চিনতে বলেছে। উত্তর বায়োগ্যাস।
বায়োগ্যাস তৈরি হয় গোবর, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা, রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট বা পচনশীল জৈব বর্জ্য থেকে। বায়ুরোধী ডাইজেস্টারের ভেতরে অক্সিজেন ছাড়া ব্যাকটেরিয়া এসব ভেঙে মিথেন-প্রধান গ্যাস তৈরি করে, সঙ্গে থাকে কার্বন ডাই-অক্সাইড। যতদিন গবাদিপশু ও জৈব বর্জ্য আছে, ততদিন নতুন করে বায়োগ্যাস বানানো যায়; তাই এটি নবায়নযোগ্য।
ডাইজেস্টার থেকে যে তলানি বের হয়, তা ভালো জৈব সার। তাই গ্রামে বায়োগ্যাস একসঙ্গে রান্নার জ্বালানি আর জমির সার দুটোই দেয়।
তেল, গ্যাস ও কয়লা জীবাশ্ম জ্বালানি, লক্ষ লক্ষ বছরে তৈরি, তাই অনবায়নযোগ্য। প্রাকৃতিক গ্যাস আর বায়োগ্যাস দুটোরই মূল উপাদান মিথেন, তবু উৎসের কারণে একটি অনবায়নযোগ্য, অন্যটি নবায়নযোগ্য।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- কাঁচামাল: গোবর ও পচনশীল জৈব বর্জ্য।
- বায়ুরোধী ডাইজেস্টারে অক্সিজেন ছাড়া ব্যাকটেরিয়া এগুলো পচায়।
- তৈরি হয় মিথেন-প্রধান বায়োগ্যাস আর জৈব সার।
- কাঁচামাল বারবার পাওয়া যায়, তাই বায়োগ্যাস নবায়নযোগ্য।
ক. তেল: তেল জীবাশ্ম জ্বালানি, একবার তুললে মজুত কমে যায়।
খ. গ্যাস: প্রাকৃতিক গ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানি; বায়োগ্যাসের মতো মিথেন থাকলেও উৎস নবায়নযোগ্য নয়।
গ. কয়লা: কয়লা জীবাশ্ম জ্বালানি, অনবায়নযোগ্য।
জ্বালানির নামের আগে ‘বায়ো’ থাকলে বুঝবেন উৎস জীবন্ত, তাই নবায়নযোগ্য।
গোবরে গ্যাস, ফুরাবে না আশ।