অন্যের রচনা থেকে চুরি করাকে বলা হয়-
সঠিক উত্তর
ঘকুম্ভিলকবৃত্তি
ব্যাখ্যা
অন্যের লেখা বা ভাব চুরি করে নিজের নামে চালানোকে বলে কুম্ভিলকবৃত্তি। সংস্কৃতে কুম্ভিলক মানে চোর, বিশেষ করে যে অন্যের রচনা চুরি করে; ইংরেজিতে একে plagiarism বলে।
বেতসবৃত্তি মানে বেতগাছের মতো স্বভাব; ঝড় এলে বেত নুয়ে পড়ে, ঝড় গেলে আবার সোজা হয়। তাই শব্দটি বোঝায় সুবিধামতো নত হওয়া বা তোষামোদের স্বভাব।
পতঙ্গবৃত্তি আর জলৌকাবৃত্তি শব্দে পতঙ্গ মানে পোকা বা ফড়িং আর জলৌকা মানে জোঁক; লেখা চুরির সঙ্গে এদের কোনো সম্পর্ক নেই।
ফাঁদ হলো বেতসবৃত্তি, কারণ এটিও পরীক্ষায় বহুল জিজ্ঞাসিত বৃত্তি শব্দ। বৃত্তি শব্দের আগের অংশটাই আসল অর্থ বলে দেয়, তাই সেটা চিনে নিন।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| শব্দ | মূল শব্দের অর্থ |
|---|---|
| বেতসবৃত্তি | বেতস: বেতগাছ; নত হওয়ার স্বভাব |
| পতঙ্গবৃত্তি | পতঙ্গ: পোকা, ফড়িং |
| জলৌকাবৃত্তি | জলৌকা: জোঁক |
| কুম্ভিলকবৃত্তি | কুম্ভিলক: চোর; লেখা চুরি |
- বেতস মানে বেতগাছ: নুয়ে পড়ার স্বভাব, তোষামোদ।
- পতঙ্গ মানে পোকা, জলৌকা মানে জোঁক; চুরির অর্থ নেই।
- কুম্ভিলক মানে চোর: অন্যের লেখা চুরি কুম্ভিলকবৃত্তি।
ক. বেতসবৃত্তি: বেতসবৃত্তি মানে বেতগাছের মতো নুয়ে পড়ার স্বভাব, অর্থাৎ সুবিধাবাদ বা তোষামোদ।
খ. পতঙ্গবৃত্তি: পতঙ্গ মানে পোকা বা ফড়িং; লেখা চুরির অর্থ এতে নেই।
গ. জলৌকাবৃত্তি: জলৌকা মানে জোঁক; এর সঙ্গে রচনা চুরির সম্পর্ক নেই।
কুম্ভিলক মানে চোর, তাই লেখা চুরি কুম্ভিলকবৃত্তি। বেতসবৃত্তি মানে তোষামোদ।
কুম্ভিলক চুরি করে কলম থেকে।