আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমার কর্তৃক রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মামলা করে কোন দেশ?
সঠিক উত্তর
খগাম্বিয়া
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার বাদী কে। উত্তর পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া।
২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে সামরিক অভিযানের পর লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এর প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর গাম্বিয়া ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা ওআইসির সমর্থন নিয়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে।
মামলার ভিত্তি ১৯৪৮ সালের গণহত্যা সনদ। এই সনদের সদস্য যেকোনো দেশ অন্য সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সনদ ভঙ্গের অভিযোগ আনতে পারে, তাই সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়েও গাম্বিয়া বাদী হতে পেরেছে। আদালত নেদারল্যান্ডসের হেগে।
সবচেয়ে বড় ফাঁদ বাংলাদেশ। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে বলে অনেকে ধরে নেন মামলাটিও বাংলাদেশ করেছে, কিন্তু বাদী গাম্বিয়া।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- আগস্ট ২০১৭রাখাইনে অভিযান, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়
- ১১ নভেম্বর ২০১৯গাম্বিয়া আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলা করে
- ২৩ জানুয়ারি ২০২০আদালতের অন্তর্বর্তী আদেশ
- ২০১৭ সালে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
- ২০১৯ সালে ওআইসির সমর্থনে গাম্বিয়া মামলা করে।
- ২০২০ সালের জানুয়ারিতে আদালত অন্তর্বর্তী আদেশ দেয়।
ক. নাইজেরিয়া: নাইজেরিয়া বিকল্পটি ভুল; নাইজেরিয়া ওআইসির সদস্য হলেও এই মামলার বাদী নয়।
গ. বাংলাদেশ: বাংলাদেশ বিকল্পটি ভুল; বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দাতা দেশ, মামলাটি করেছে গাম্বিয়া; আশ্রয়ের কথা ভেবে এটি বাছাই করাই প্রধান ফাঁদ।
ঘ. আলজেরিয়া: আলজেরিয়া বিকল্পটি ভুল; রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলায় আলজেরিয়ার বাদী হওয়ার কোনো ভূমিকা নেই।
আশ্রয়দাতা বাংলাদেশ, কিন্তু বাদী গাম্বিয়া: এই পার্থক্যটাই প্রশ্নের প্রাণ।
রোহিঙ্গার মামলা লড়ে আফ্রিকার ছোট্ট গাম্বিয়া।