কোন বিদেশি রাষ্ট্র বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে?
সঠিক উত্তর
খসিয়েরা লিয়ন
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোন বিদেশি দেশ বাংলাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। প্রচলিত উত্তর পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন।
সিয়েরা লিওনে ১৯৯১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত গৃহযুদ্ধ চলে। সেখানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি সেনাদের বড় অবদান ছিল; সেই কৃতজ্ঞতায় ২০০২ সালে প্রেসিডেন্ট আহমদ তেজান কাব্বা বাংলাকে সম্মানসূচক দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা দেন বলে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচলিত।
তবে জেনে রাখা দরকার, সিয়েরা লিওনের একমাত্র দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজি, আর বাংলা সেখানে ব্যবহৃত হয় না। একাধিক তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান এমন কোনো ঘোষণার নথি বা প্রমাণ খুঁজে পায়নি। তাই এটিকে পরীক্ষার প্রচলিত উত্তর হিসেবে মনে রাখুন, প্রতিষ্ঠিত সরকারি তথ্য হিসেবে নয়।
বিকল্পের বাকি তিনটি দেশও আফ্রিকার, তাই মহাদেশ দেখে বাছাই করা যাবে না। মূল সূত্র হলো শান্তিরক্ষী আর গৃহযুদ্ধ: সিয়েরা লিওন।
এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে প্রকাশিত গাইডগুলোতে দ্বিমত আছে; এখানে সবচেয়ে প্রচলিত উত্তরটি দেওয়া হলো।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| দেশ | দাপ্তরিক ভাষা |
|---|---|
| রুয়ান্ডা | কিনিয়ারুয়ান্ডা, ফরাসি, ইংরেজি, সোয়াহিলি |
| সুদান | আরবি ও ইংরেজি |
| লাইবেরিয়া | ইংরেজি |
| সিয়েরা লিওন | ইংরেজি; বাংলা সম্মানসূচক মর্যাদা পায় বলে প্রচলিত |
- প্রশ্নের সূত্র: বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।
- সিয়েরা লিওনের গৃহযুদ্ধ শেষ হয় ২০০২ সালে।
- ওই সময় বাংলা সম্মানসূচক মর্যাদা পায় বলে প্রচলিত।
ক. রুয়ান্ডা: রুয়ান্ডা বিকল্পটি ভুল; দেশটির দাপ্তরিক ভাষা কিনিয়ারুয়ান্ডা, ফরাসি, ইংরেজি ও সোয়াহিলি, বাংলার কোনো মর্যাদা নেই।
গ. সুদান: সুদান বিকল্পটি ভুল; সুদানের দাপ্তরিক ভাষা আরবি ও ইংরেজি, বাংলাকে কোনো মর্যাদা দেওয়ার তথ্য নেই।
ঘ. লাইবেরিয়া: লাইবেরিয়া বিকল্পটি ভুল; সেখানেও বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী ছিল, কিন্তু দেশটির দাপ্তরিক ভাষা শুধু ইংরেজি; শান্তিরক্ষীর মিলে এই ভুল হয়।
আফ্রিকার কোনো দেশে বাংলা ভাষার মর্যাদার প্রশ্ন এলে উত্তর সিয়েরা লিওন, শান্তিরক্ষীদের কারণে।
শান্তিরক্ষীর ভাষা বাংলা, সম্মান দিল সিয়েরা লিওন।