কাজী নজরুল ইসলামের মোট ৫টি গ্রন্থ বিভিন্ন সময়ে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বাজেয়াপ্ত করে। কোন বইটি প্রথম বাজেয়াপ্ত হয়?
সঠিক উত্তর
খযুগবাণী
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চায় ব্রিটিশ সরকার নজরুলের কোন বই সবার আগে বাজেয়াপ্ত করে। উত্তর প্রবন্ধগ্রন্থ যুগবাণী, যা ১৯২২ সালে বাজেয়াপ্ত হয়।
যুগবাণীতে নজরুলের নবযুগ পত্রিকায় লেখা জ্বালাময়ী সম্পাদকীয় প্রবন্ধগুলো সংকলিত। ব্রিটিশবিরোধী বক্তব্যের জন্য প্রকাশের বছরেই বইটি নিষিদ্ধ হয়। একই সময়ে ধূমকেতু পত্রিকায় আনন্দময়ীর আগমনে কবিতা ছাপার জেরে নজরুল গ্রেপ্তারও হন।
পরে আরও চারটি বই বাজেয়াপ্ত হয়: বিষের বাঁশি, ভাঙার গান, প্রলয়শিখা এবং চন্দ্রবিন্দু। এর মধ্যে কেবল যুগবাণীই প্রবন্ধের বই, বাকিগুলো কবিতা ও গানের।
ফাঁদ হলো বিষের বাঁশি, কারণ বাজেয়াপ্ত বইয়ের কথা উঠলে এটির নামই সবচেয়ে বেশি শোনা যায়। কিন্তু এটি নিষিদ্ধ হয় যুগবাণীর পরে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| বই | ধরন | বাজেয়াপ্তের ক্রম |
|---|---|---|
| বিষের বাঁশি | কাব্য | পরে |
| ভাঙার গান | গান | পরে |
| প্রলয়শিখা | কাব্য | পরে |
| যুগবাণী | প্রবন্ধ | প্রথম, ১৯২২ |
- বিষের বাঁশি: কাব্যগ্রন্থ, পরে বাজেয়াপ্ত।
- ভাঙার গান: গানের বই, পরে বাজেয়াপ্ত।
- প্রলয়শিখা: কাব্যগ্রন্থ, আরও পরে বাজেয়াপ্ত।
- যুগবাণী: প্রবন্ধগ্রন্থ, ১৯২২ সালে সবার আগে বাজেয়াপ্ত।
ক. বিষের বাঁশি: বিষের বাঁশি নজরুলের বাজেয়াপ্ত বইগুলোর একটি, তবে এটি নিষিদ্ধ হয় যুগবাণীর পরে।
গ. ভাঙার গান: ভাঙার গানও বাজেয়াপ্ত হয়েছিল, কিন্তু যুগবাণীর পরে।
ঘ. প্রলয় শিখা: প্রলয়শিখা বাজেয়াপ্ত হয় আরও পরে; এটি প্রথম নয়।
নজরুলের বাজেয়াপ্ত পাঁচটি বইয়ের মধ্যে একটিই গদ্য, আর সেটিই প্রথম: যুগবাণী।
যুগের শুরুতেই যুগবাণী বাজেয়াপ্ত।